ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘বিশ্ব ফুটবল পরিচালনার জন্য অযোগ্য ইনফান্তিনো’ হামলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত ইরানি অর্থ ব্যবহার করবো: ট্রাম্প মেসেজে কবুল বললে কী বিয়ে হয়ে যাবে, ইসলাম কী বলে স্পিকারের নির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনে নির্দেশ হাইকোর্টের ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ উড়িয়ে দিলেন আর্জেন্টিনার ভিডিও অ্যানালিস্ট ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ উড়িয়ে দিলেন আর্জেন্টিনার ভিডিও অ্যানালিস্ট হরমুজ নিয়ে সৌদি-ওমানের সঙ্গে ইরানের বৈঠক সৌদি আরবে হামলার দাবি নাকচ করল ইরাকের সশস্ত্র বিদ্রোহীরা ‘তেলাপোকা’ আন্দোলনের সাফল্যে মোদি সরকারের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

মেসেজে কবুল বললে কী বিয়ে হয়ে যাবে, ইসলাম কী বলে

বর্তমান সময়ে যোগাযোগের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমোর মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। ফলে অনেকের মনেই
  • আপলোড সময় : ২৮ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:৫৮ সময়
  • আপডেট সময় : ২৮ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:৫৮ সময়
মেসেজে কবুল বললে কী বিয়ে হয়ে যাবে, ইসলাম কী বলে

বর্তমান সময়ে যোগাযোগের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমোর মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, এসব মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া এবং ‘কবুল’ লিখে সম্মতি জানালে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয় কি না। ইসলামি শরিয়াহ ও ফিকাহর আলোচনায় এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্য কোনো লিখিত অনলাইন বার্তায় বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া এবং অপরপক্ষের ‘কবুল’ লিখে সম্মতি জানানো বৈধ বিয়ে হিসেবে গণ্য হয় না।


কারণ, ইসলামি বিধান অনুযায়ী বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ) একই মজলিসে বা একই বৈঠকে সম্পন্ন হতে হবে। এছাড়া পাত্র-পাত্রীর উপস্থিতি বা বৈধ প্রতিনিধির মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র ডিজিটাল বার্তা আদান-প্রদানে এই শর্ত পূরণ হয় না। এ ছাড়া বিয়ের অন্যতম অপরিহার্য শর্ত হলো সাক্ষীর উপস্থিতি। শরিয়াহ অনুযায়ী, বিয়ের সময় অন্তত দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ অথবা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ ও দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারী সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে হবে। সাক্ষী ছাড়া ইজাব-কবুল সম্পন্ন হলেও সেই বিয়ে বৈধ হয় না।


এ বিষয়ে হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "অভিভাবক ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া বিয়ে হয় না।" তবে সাক্ষী হিসেবে আলাদাভাবে কাউকে নিয়োগ করাই বাধ্যতামূলক নয়। যদি জনসম্মুখে বা বহু মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা ইজাব-কবুল শুনতে পান, তাহলে তারাই সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবেন।


সব মিলিয়ে ইসলামি শরিয়াহর আলোকে বলা যায়, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমোতে শুধু ‘কবুল’ লিখে পাঠানো বিয়ের বৈধ ধর্মীয় প্রক্রিয়া নয়। এটি সর্বোচ্চ পারস্পরিক সম্মতির প্রকাশ হতে পারে, কিন্তু শরিয়াহসম্মত বিয়ে সম্পন্ন করতে হলে একই মজলিসে ইজাব-কবুল, বৈধ সাক্ষীর উপস্থিতি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সিটি কলেজসহ তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটি টাকা লুটপাট, ১১১ শিক্ষক অবৈধ

সিটি কলেজসহ তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ কোটি টাকা লুটপাট, ১১১ শিক্ষক অবৈধ