ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ ফসফরাস বোমা হামলা শেখ হাসিনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান ‘ককরোচ’ আন্দোলনে কটূক্তিকারীরা পথভ্রষ্ট: নরেন্দ্র মোদি পুলিশ টিমকে একসঙ্গে চা বা বিশ্রামে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ঝাড়খণ্ডে বিক্ষোভ তীব্র, ককরোচ পার্টির সমর্থন প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার কথা বলায় ভারত সরকারের কোনো বাধা নেই: এফসিসি সভাপতি ঈশ্বরদীতে চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবক নিহত আওয়ামী লীগ শুধু উঁকি দিচ্ছে, তৎপরতার মুরোদ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩৪ জুলাইয়ের সেই ঘোষণা, ‘দফা এক, দাবি এক, শেখ হাসিনার পদত্যাগ’

পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, তবু মজুরিতে বৈষম্য

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসী নারীরা সংসারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি কৃষিকাজ ও দিনমজুরিতে
  • আপলোড সময় : ২ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:৪৪ সময়
পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, তবু মজুরিতে বৈষম্য

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসী নারীরা সংসারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি কৃষিকাজ ও দিনমজুরিতে পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু একই ধরনের শ্রম দিলেও তারা এখনও সমান মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মজুরি বৈষম্য তাদের জীবনে বাড়তি সংকট তৈরি করছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ওঁরাও, মাহাতো, সাঁওতাল, মুড়ারি, রবিদাস, কনকদাস, সিং, তেলি, তুড়ি ও বসাইকসহ প্রায় ১৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস। জীবিকার প্রয়োজনে এসব পরিবারের অধিকাংশ সদস্য কৃষিকাজ, দিনমজুরি ও বিভিন্ন শ্রমনির্ভর পেশায় যুক্ত।


সংসারের ব্যয় মেটাতে নারীরাও প্রতিদিন মাঠে নেমে পুরুষ শ্রমিকদের মতোই কঠোর পরিশ্রম করছেন। উল্লাপাড়ার প্রতাপ গ্রামে একদল আদিবাসী নারী বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক ধানের চারা রোপণের কাজ করছেন। প্রতি বিঘা জমির জন্য নির্ধারিত পারিশ্রমিক থেকে দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় হলেও, অনেক ক্ষেত্রেই একই কাজের জন্য পুরুষদের তুলনায় কম মজুরি পান তারা।


নারী শ্রমিকরা জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সমান পরিশ্রম করেও মজুরিতে বৈষম্যের কারণে পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। তবুও জীবিকার তাগিদে কম পারিশ্রমিকেই কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। স্থানীয় কৃষকদের মতে, আদিবাসী নারী শ্রমিকরা কৃষিকাজে দক্ষ ও দায়িত্বশীল। তবে নারী-পুরুষের মজুরির এই পার্থক্য বহু বছরের প্রচলিত বাস্তবতা, যা এখনও পুরোপুরি দূর করা সম্ভব হয়নি।


আদিবাসী উন্নয়ন সংগঠনের নেতারা বলছেন, কৃষিসহ বিভিন্ন শ্রমখাতে সমান কাজের বিপরীতে নারীরা প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত কম মজুরি পান। তারা এই বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়ে আসলেও নিয়োগদাতাদের অনীহা এবং অর্থনৈতিক অসহায়ত্বের কারণে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। তাদের মতে, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা গেলে শুধু আদিবাসী নারী শ্রমিকদের জীবনমানই উন্নত হবে না, বরং সামগ্রিকভাবে গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক আসামি করে এনসিপির মামলা

হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক আসামি করে এনসিপির মামলা