ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ শ্রমিকদের দাবির আড়ালে সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী মদিনার দিকে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের মুসলিম আইনে সম্পত্তিতে নারীর অধিকার ‘ট্রাম্প এখনো আপনাদের প্রেসিডেন্ট’, সোশ্যাল মিডিয়ায় হোয়াইট হাউস পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বড় ছেলেকে ছুরিকাঘাত আমার সঙ্গে লাগলে পরিণতি ভোগ করতে হবে, হুঁশিয়ারি ইলন মাস্কের বাহাত্তরের সংবিধানকে খাটো করার সুযোগ নেই: ড. কামাল হোসেন

সাভারে কেটলি বোমায় উচ্চ মাত্রার বিস্ফোরক আরডিএক্স!

সাভারে উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা ‘কেটলি বোমা’য় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে
  • আপলোড সময় : ১৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়
সাভারে কেটলি বোমায় উচ্চ মাত্রার বিস্ফোরক আরডিএক্স!

সাভারে উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা ‘কেটলি বোমা’য় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার পর ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামত রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য বিস্ফোরক অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই বোমাটিতে কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। গত ১২ আগস্ট দুপুরে সাভারের সাধাপুর এলাকায় একটি মসজিদের খোলা মাঠে কালো স্কচটেপে মোড়ানো একটি প্রেশার কুকার পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেটিকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।


পরে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সন্দেহজনক বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বেশ দূর পর্যন্ত বিকট শব্দ শোনা যায়। একই সঙ্গে আকাশে সাদা ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের একজন বিশেষজ্ঞ জানান, নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের সময় বের হওয়া সাদা ধোঁয়ায় বিস্ফোরকের মতো গন্ধ পাওয়া যায়। এ কারণে বোমাটি তৈরিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।


কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে উচ্চ ক্ষমতার বিস্ফোরক আরডিএক্স অথবা টিএটিপি ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না যে বোমাটিতে এসব রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশে এর আগে উদ্ধার হওয়া বোমার ক্ষেত্রে এ ধরনের উচ্চ ক্ষমতার বিস্ফোরক ব্যবহারের নজির খুবই বিরল। ফলে সাভারে পাওয়া এই সন্দেহজনক বিস্ফোরক নিয়ে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এদিকে বোমাটি কোথা থেকে এলো, কারা এটি সেখানে রেখে গেছে এবং এর উদ্দেশ্য কী ছিল—এসব প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। বোমাটির রাসায়নিক উপাদান শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি এর উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করাও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।


সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে, সাভারে নিষ্ক্রিয় করা বোমাটিতে আসলে কোন ধরনের বিস্ফোরক ছিল এবং এর ক্ষমতা কতটা। তাই আপাতত বোমাটিতে আরডিএক্স বা টিএটিপি ব্যবহারের বিষয়টি শুধু প্রাথমিক সন্দেহ, চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত তথ্য নয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী