ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক আইফোন ও কম্পিউটার উদ্ধারের মামলায় ছয় বিদেশি নাগরিকের জামিন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাতে যেসব ৩ খাবার এড়িয়ে চলবেন মোংলা হয়ে খুলনায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শিল্পাঞ্চলে সহিংসতা কঠোরভাবে দমনের নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের মাগুরায় যুবদল নেতা হত্যার নেপথ্যে স্বর্ণ লুটের বিরোধ, পুলিশের দাবি দিল্লির স্কুলে খেলাধুলার ক্লাস শেষে অজ্ঞান হয়ে ৯ বছরের ছাত্রীর মৃত্যু সেন্ট মার্টিন রুটে চলবে তিন পর্যটকবাহী জাহাজ, অনুমোদন দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজায় বাধার প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে বিক্ষোভ

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, তেলের দাম কমানোই লক্ষ্য: জেডি ভ্যান্স

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করার লক্ষ্য থেকে সরে এসে যুদ্ধের নতুন অগ্রাধিকার হিসেবে তেলের দাম কমানো এবং হরমুজ
  • আপলোড সময় : ১৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময়
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, তেলের দাম কমানোই লক্ষ্য: জেডি ভ্যান্স

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করার লক্ষ্য থেকে সরে এসে যুদ্ধের নতুন অগ্রাধিকার হিসেবে তেলের দাম কমানো এবং হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহন স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে সামনে আনছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। এতদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে আসছিলেন, ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধ্বংস করাই যুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য। তবে এখন মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বক্তব্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক করার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।


ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, মার্কিন ভোক্তাদের জন্য তেলের দাম কমিয়ে আনা এখন ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে তেল পরিবহন নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কৌশলগত চাপ তৈরি করেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন হয়ে থাকে। ফলে সেখানে চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে।


এদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও জানিয়েছেন, শিগগিরই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকদের মতে, ভ্যান্স ও বেসেন্টের বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, ইরান যুদ্ধের কৌশলগত সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে। পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এখন জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখাই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে শুরু হওয়া সংঘাত এখন ক্রমেই হরমুজ প্রণালি, তেল সরবরাহ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে কেন্দ্র করে নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

উদ্যোক্তা তৈরিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী