ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
ডিজে পার্টি ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন-অর রশীদকে চাকরিচ্যুত কুমিল্লা বোর্ডে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কোনো শিক্ষার্থী তাহসিফের মৃত্যুর আগে বান্ধবী ও দীপকে নিয়ে বারে দেড় ঘণ্টা অবস্থান শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে ঘিরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত বেশ কয়েকজন ‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই আসলে প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ জানাই’ আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না: চিফ হুইপ বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার নেমেছে ৪৪.৮৪ শতাংশে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান একীভূত করার ভাবনা, শিক্ষকদের চাকরি যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৮৬ জনের মধ্যে ছাত্রী ৭০৬ জন

ভাঙনের পথে যুক্তরাজ্য

ব্রিটেনের অখণ্ডতা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড—যুক্তরাজ্যের এই তিন স্বশাসিত রাষ্ট্র
  • আপলোড সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:২২ সময়
  • আপডেট সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:২২ সময়
ভাঙনের পথে যুক্তরাজ্য

ব্রিটেনের অখণ্ডতা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড—যুক্তরাজ্যের এই তিন স্বশাসিত রাষ্ট্র এবার স্বাধীনতার দাবিতে একসঙ্গে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিন দেশের নেতাদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। স্বাধীনতার দাবিতে গণভোট আয়োজন এবং নিজেদের সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছেন তিন স্বশাসিত রাষ্ট্রের নেতারা। ওয়েস্টমিনস্টারের সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই পদক্ষেপ সামনে এসেছে।


গতকাল সোমবার ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফে তিন দেশের নেতাদের বৈঠকে বসার কথা ছিল। বৈঠকে মূলত সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ, স্বাধীনতার প্রশ্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। এই আলোচনার পরই পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে পারেন তারা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠক থেকে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হতে পারে। এতে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার এবং স্বাধীনতার জন্য গণভোট আয়োজনের দাবি তুলে ধরার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত ওয়েস্টমিনস্টারকে চাপের মধ্যে ফেলতেই এমন সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


স্কটল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরেই স্বাধীনতার দাবি রয়েছে। এর আগে সেখানে যুক্তরাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে একই দাবিতে সমন্বিত অবস্থান নিলে বিষয়টি যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য আরও বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। তিন স্বশাসিত রাষ্ট্রের নেতারা যদি একই সঙ্গে স্বাধীনতার গণভোটের দাবি জোরালো করেন, তাহলে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। বিশেষ করে ওয়েস্টমিনস্টার যদি তাদের দাবিতে সাড়া না দেয়, তাহলে কেন্দ্র ও স্বশাসিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে।


তবে এখনই যুক্তরাজ্য ভেঙে যাচ্ছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করা হলেও স্বাধীনতার পথ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। কিন্তু তিন স্বশাসিত রাষ্ট্রের একসঙ্গে স্বাধীনতার প্রশ্ন সামনে আনা যে ব্রিটেনের অখণ্ডতার জন্য নতুন একটি চাপ তৈরি করছে, তা স্পষ্ট। এখন নজর থাকবে কার্ডিফের বৈঠক থেকে কী সিদ্ধান্ত আসে এবং স্বাধীনতার গণভোটের দাবিতে তিন দেশ কতটা ঐক্যবদ্ধ অবস্থান ধরে রাখতে পারে। কারণ, তাদের এই জোট যত শক্তিশালী হবে, যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার আলোচনাও ততই জোরালো হতে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ