ঢাকা | |

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। টানা দ্বিতীয় কর্মদিবসের মতো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে তেলের বাজার। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল
  • আপলোড সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৮ সময়
  • আপডেট সময় : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৮ সময়
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৬ ডলারে পৌঁছেছে

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। টানা দ্বিতীয় কর্মদিবসের মতো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে তেলের বাজার। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি আবারও স্বাভাবিক হওয়ার কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আর সেই আশঙ্কাই তেলের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার দর ব্যারেলপ্রতি ৬৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১০৫ দশমিক ৯১ ডলারে পৌঁছেছে।


অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও বেড়েছে। এ ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৩ দশমিক ৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। টানা দুই দিন ধরে তেলের দাম বাড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে। কারণ, অঞ্চলটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী এলাকা। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন, পরিবহন এবং রপ্তানির ওপর চাপ তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে বাজারে।


যদিও মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি আবার শুরু হওয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তবুও বাজারের উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কাই এখন তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ও তেল পরিবহন ব্যবস্থা ঝুঁকির মধ্যে পড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যেতে পারে। আর সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে সাধারণত অপরিশোধিত তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ দেখা যায়।


বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০৫ ডলারের ওপরে এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৯৩ ডলারের ওপরে রয়েছে। ফলে জ্বালানি তেলের বাজারে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব কতটা দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেদিকেই নজর রাখছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে শিল্প উৎপাদন, পণ্য পরিবহন এবং বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দামেও এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকা বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। তাই মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি স্বাভাবিকভাবে অব্যাহত থাকে কি না এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় কোনো বাধা তৈরি হয় কি না—এসব বিষয়ই আগামী দিনে তেলের বাজারের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, ‘আশা’ যুক্তরাষ্ট্রের

শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, ‘আশা’ যুক্তরাষ্ট্রের