ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শতাধিক গুণী শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টা বা ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ছাড়া ভোটে অংশ নেওয়া অর্থহীন’ ওয়াইডে ছক্কা দিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী ফুটপাতে পুনরায় দোকানপাট গড়ে তোলা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত কোচ জেসুসের কড়া সমালোচনা করলেন রোনালদোর স্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকার ধ্বংসযজ্ঞ কতটা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার নতুন একটি পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। উপগ্রহভিত্তিক সর্বশেষ মূল্যায়নে
  • আপলোড সময় : ৫ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:২৫ সময়
  • আপডেট সময় : ৫ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:২৫ সময়
ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকার ধ্বংসযজ্ঞ কতটা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার নতুন একটি পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। উপগ্রহভিত্তিক সর্বশেষ মূল্যায়নে দেখা গেছে, গাজার মোট ভবনের ৮২ শতাংশের বেশি কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে এক লাখ ৩৪ হাজারেরও বেশি ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।


সোমবার ৫ অক্টোবর ফিলিস্তিনি কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর বরাত দিয়ে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। ফিলিস্তিনি কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো জানায়, জাতিসংঘের উপগ্রহকেন্দ্রের সর্বশেষ মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকায় মোট ২ লাখ ১ হাজার ২৯০টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংখ্যা গাজার মোট ভবনের প্রায় ৮২ শতাংশ।


ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪২২টি ভবন সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া ১৩ হাজার ৮৪৮টি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু আবাসিক ইউনিটের ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যাই দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২৮ হাজার ৬২৭টিতে। তবে ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব শুধু গাজা উপত্যকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।


ফিলিস্তিনি কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেনিন শরণার্থী শিবিরের ৬৮০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ওই শিবিরের মোট ভবনের প্রায় ৫৩ শতাংশ। একই সময়ে নূর শামস শরণার্থী শিবিরে ৪৩৪টি ভবন বা প্রায় ৫৫ শতাংশ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া তুলকার্ম শরণার্থী শিবিরের ৪০৭টি অবকাঠামো ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ওই এলাকার মোট স্থাপনার প্রায় ৩৭ শতাংশ। নতুন এই পরিসংখ্যান গাজা ও পশ্চিম তীরে দীর্ঘদিনের সংঘাতের কারণে অবকাঠামো ও আবাসিক স্থাপনার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা