ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

‘জনগণ আমাদের চায় না, দল চেয়ারে বসিয়েছে তাই দলীয় লোকই প্রাধান্য পাবে’

‘আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি নই, দল আমাদের এই চেয়ারে বসিয়েছে। এই এলাকার মানুষ আমাদের চায় না। তাই এলাকার মানুষের
  • আপলোড সময় : ৭ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:৫৩ সময়
  • আপডেট সময় : ৭ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:৫৩ সময়
‘জনগণ আমাদের চায় না, দল চেয়ারে বসিয়েছে তাই দলীয় লোকই প্রাধান্য পাবে’

‘আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি নই, দল আমাদের এই চেয়ারে বসিয়েছে। এই এলাকার মানুষ আমাদের চায় না। তাই এলাকার মানুষের চেয়ে দলের মানুষকে বেশি প্রাধান্য দেব।’ চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামানের এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।


ভাইরাল হওয়া ৫১ সেকেন্ডের ভিডিওতে শরীফুজ্জামানকে জেলা পরিষদের উন্নয়ন বরাদ্দ ও সরকারি অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে দলীয় সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। ভিডিওতে তিনি বলেন, তার দলের নেতা-কর্মীদের বাইরে জেলা পরিষদ থেকে কোনো অনুদান দেওয়া হবে না। কোনো ইউনিয়নে জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অথবা ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সুপারিশ প্রয়োজন হবে বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।


সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন বলে জানা গেছে। ওই অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে একই মঞ্চে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


শরীফুজ্জামানের বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ ও অনুদান বিতরণে দলীয় পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও চুয়াডাঙ্গার রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা কমিটির সহকারী সেক্রেটারি মাসুদ পারভেজ রাসেলের কাছে পরাজিত হন শরীফুজ্জামান।


অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খানকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির রুহুল আমীন। নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুই আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা পরাজিত হওয়ার পর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে শরীফুজ্জামানের এমন বক্তব্য সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে ভাইরাল ভিডিওটির বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট এবং বক্তব্যের পর তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে কি না, তা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংক্ষিপ্ত ভিডিও অনেক সময় পুরো বক্তব্যের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে না।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তিন ট্রাকভর্তি ৪ লাখ পাঠ্যবই জব্দ নিয়ে তুলকালাম!

তিন ট্রাকভর্তি ৪ লাখ পাঠ্যবই জব্দ নিয়ে তুলকালাম!