ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
মুশফিকের ফিফটিতে বড় লিডের পথে বাংলাদেশ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি ভারত কখনো মোদির মতো এমন কাপুরুষ দেখেনি: মুক্তির পর অভিজিৎ দিপকে ‘হু ইজ হাদি?’: নুরের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা রফিকুল ইসলাম মাদানির শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা নভেম্বরেই রোনালদোকে দলে ফেরাতে চান পর্তুগালের ফুটবলপ্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের আশ্বাস ‘ভয় পাইছে, ভয় পাইছে’: সাক্ষীর উদ্দেশ্যে পলক ছুটি ঘোষণা করে নতুন জাতীয় দিবসের পরিপত্র জারি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, চেন্নাইয়ে রোড শো করছেন মোদি

ছুটি ঘোষণা করে নতুন জাতীয় দিবসের পরিপত্র জারি

৭ নভেম্বর কি এবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে সরকারি ছুটিসহ পালিত হবে? এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
  • আপলোড সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:১৮ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:১৮ সময়
ছুটি ঘোষণা করে নতুন জাতীয় দিবসের পরিপত্র জারি

৭ নভেম্বর কি এবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে সরকারি ছুটিসহ পালিত হবে? এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন এবং পালন নিয়ে জারি করা হয়েছে নতুন পরিপত্র। এতে ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের পাশাপাশি ওই দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দিবস পালন করতে গিয়ে অতিরিক্ত খরচ, জাঁকজমক ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার।


রোববার, ১১ অক্টোবর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নতুন পরিপত্র জারি করা হয়। এর মাধ্যমে গত ১১ মার্চ জারি করা আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন এবং ওই দিন সরকারি ছুটি রাখার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ের প্রধান উৎসবগুলো ছাড়া সাধারণভাবে বিভিন্ন দিবস পালনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যয় ও জাঁকজমক পরিহার করতে হবে। বিশেষ করে আলোকসজ্জা, সৌন্দর্যবর্ধন এবং বড় ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। সরকারি ব্যয় সাশ্রয় এবং দাপ্তরিক কাজের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখাই এ নির্দেশনার অন্যতম লক্ষ্য।


দিবস পালনের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা অনুষ্ঠানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য বেতার ও টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠান প্রচারের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হতে পারে—এমন সমাবেশ ও শোভাযাত্রা আয়োজন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সরকারি অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশনা রয়েছে। কোনো বিশেষ সপ্তাহ পালনের প্রয়োজন হলে সাধারণভাবে পুরো আয়োজন সর্বোচ্চ তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।


এ ছাড়া আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা নিয়মিত অফিস সময় শেষ হওয়ার পর আয়োজনের চেষ্টা করতে বলা হয়েছে। তবে অর্থ বা উপকরণ ব্যয়ের প্রয়োজন নেই, এমন সাধারণ আয়োজন ছুটির দিন কিংবা স্বাভাবিক কর্মদিবসেও করা যাবে। নতুন পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালনের জন্য জেলা পর্যায় কিংবা রাজধানীর বাইরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় নিয়ে আসার প্রবণতা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয় কমাতে একই ধরনের দিবসগুলো একত্রে পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিয়ে একই ধরনের জাতীয় দিবসগুলো একই তারিখে একসঙ্গে উদযাপনের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।


প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর কথাও বলা হয়েছে। পরিপত্রে দেওয়া নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সব মিলিয়ে, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি অন্যান্য দিবস উদযাপনেও ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, সীমিত আয়োজন এবং সরকারি কাজের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখার নীতিতে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার