ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
নজরুল বর্ষে দেশের সব মাদ্রাসায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নির্দেশ সৌদি আরবে হামলা মানে পাকিস্তানে হামলা: পাকিস্তানের ধর্মমন্ত্রী ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩৪৯০ যাত্রী কান্নারত শিশুকে নিয়ে পালানোর সময় সচিবালয় মেট্রো স্টেশন থেকে ১ জন আটক প্রকাশ্যে ককরোচ জনতা পার্টির পাশে দাঁড়ালেন রাহুল গান্ধী যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হয়রানি ও হেনস্তায় তীব্র ক্ষোভ সাবেক ১২ উপদেষ্টার সিনেমা সমালোচক রাকিবের চিত্রনাট্যে নির্মিত হবে শাকিবের ‘মহব্বত’ চন্দ্রালোকিত রাত ও নির্বাচনের দিন-তারিখ ধানমন্ডিতে পুলিশের সামনেই এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস, ভিডিও ভাইরাল ১৪ দিনের দাওয়াতি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন চরমোনাই পীর

প্রকাশ্যে ককরোচ জনতা পার্টির পাশে দাঁড়ালেন রাহুল গান্ধী

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার সমর্থনে এগিয়ে
  • আপলোড সময় : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:২৯ সময়
  • আপডেট সময় : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:২৯ সময়
প্রকাশ্যে ককরোচ জনতা পার্টির পাশে দাঁড়ালেন রাহুল গান্ধী

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন কোনো অপরাধ হতে পারে না—এমন মন্তব্য করে গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন তিনি। ঘটনাটি ঘিরে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।


বুধবার ১৪ অক্টোবর সকালে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এর প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণভাবে জাতীয় পতাকা ওড়ানো অপরাধ হতে পারে না। তরুণদের কারাগারে পাঠানো সরকারের দুর্বলতার পরিচয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


রাহুল গান্ধী আরও বলেন, নাগরিক সমাজ, শিক্ষার্থী এবং ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারে পরিচালিত আন্দোলনগুলো মূলত সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের অংশ। তাঁর মতে, যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের সম্পদ, আর সেই অধিকার পুনরুদ্ধারে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। রাহুল গান্ধীর সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। দলের নেতাদের কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন কখন থেকে শান্তিভঙ্গের কারণ হয়ে দাঁড়াল।


এ ঘটনায় শুধু ককরোচ জনতা পার্টিই নয়, অন্য রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনের নেতারাও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দলটির সঙ্গে গত সোমবারের মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরাও। এ ছাড়া আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জি, ডিএমকে প্রধান এম কে স্ট্যালিন এবং শিবসেনা UBT নেতা আদিত্য ঠাকরেও জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় নেতাদের কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ এবং সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে এখন ভারতের রাজনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা। গ্রেপ্তার নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত এবং আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার