ঢাকা | |

‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের শিরশ্ছেদ নিয়ে করা একটি মন্তব্য ঘিরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির
  • আপলোড সময় : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৫:১৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ৫:১৫ সময়
‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না’ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন এমপি রতন

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের শিরশ্ছেদ নিয়ে করা একটি মন্তব্য ঘিরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। শেষ পর্যন্ত নিজের বক্তব্যকে অনুচিত স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিতর্কিত মন্তব্যটি প্রত্যাহার করে নিহত ব্যক্তিদের স্বজন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন এই সংসদ সদস্য।


সোমবার, ১৯ অক্টোবর, নিজের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন কামরুজ্জামান রতন। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, সম্প্রতি একটি টেলিভিশন আলোচনা অনুষ্ঠানে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগের বশে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি এই পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক তা চাই না।’ তার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়।


পরে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে কামরুজ্জামান রতন স্বীকার করেন, এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া তার একেবারেই ঠিক হয়নি। তাই তিনি সম্পূর্ণভাবে মন্তব্যটি প্রত্যাহার করছেন বলে জানান। একই সঙ্গে তার কথায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার-পরিজন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা কষ্ট পেয়ে থাকলে তাদের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, মানুষ ভুল করতেই পারে। তবে ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ মহান আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত। নিজের বক্তব্যের জন্য আবারও দুঃখ প্রকাশ করে সবার কাছে ক্ষমা চান তিনি। জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর রাতে স্টার নিউজের ‘কড়া আলাপ’ নামের একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে ‘সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড ও আমাদের কূটনীতির ব্যর্থতা’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্তব্যটি করেছিলেন এই সংসদ সদস্য। সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনা নিয়ে আলোচনার সময় তার ওই বক্তব্য সামনে আসে।


বক্তব্যটি ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। বিশেষ করে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার এবং বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের অনুভূতির বিষয়টি সামনে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নিজের মন্তব্য প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ করেন কামরুজ্জামান রতন। এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, সংবেদনশীল কোনো বিষয় নিয়ে জনসমক্ষে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভাষা ব্যবহার কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে মৃত্যুদণ্ডের শিকার বাংলাদেশি নাগরিকদের মতো ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখানো অত্যন্ত জরুরি।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
'ইন্ডিয়া' জোটের রাজপথের আন্দোলনে থালাপতি বিজয়ের দল

'ইন্ডিয়া' জোটের রাজপথের আন্দোলনে থালাপতি বিজয়ের দল