ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ নির্বাচনের পরেই শেষ হবে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ: ট্রাম্প অপ্রাপ্তবয়স্কদের সোশ্যাল-মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইইউতে মতবিরোধ সংসদে রুমিন ফারহানাকে অশালীন ভাষায় গালাগালের অভিযোগ রাশিয়ার সীমান্তে ফিনল্যান্ডের ২০০ কিলোমিটারের নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ ধাপে ধাপে ঠকছেন মালদ্বীপের এক লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি: হাসনাত আবদুল্লাহ দিস ইজ অ্যাবসার্ড—চিফ হুইপকে ডেপুটি স্পিকার ভিসা নিয়ে বড় সুখবর, এক পারমিটেই ঘোরা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ শনিবার থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম অতিরিক্ত টাকা আদায়, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার; কক্সবাজারে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল : গুম কমিশনের প্রতিবেদন

আন্তঃরাষ্ট্রীয় গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা। দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে
  • আপলোড সময় : ২৩ জুন ২০২৫, দুপুর ৩:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ জুন ২০২৫, দুপুর ৩:৪৪ সময়
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল : গুম কমিশনের প্রতিবেদন ছবি : সংগৃহীত
আন্তঃরাষ্ট্রীয় গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা। দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গুম হওয়া ব্যক্তিদের আদান-প্রদান করত। গুম কমিশনের দ্বিতীয় প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। গত ৪ জুন এই প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. ইউনূসের কাছে জমা দেয় কমিশন।

কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অনেক নাগরিককে গুম করে অবৈধভাবে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হতো, আবার ভারত থেকেও অনেককে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হতো-পাঠিয়ে দেওয়া হতো। দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের চাওয়া ও প্রয়োজন অনুযায়ী গুম করে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে আদান-প্রদান করা হতো। এই কর্মকাণ্ডকে কমিশন ‘আন্তঃরাষ্ট্রীয় গুম প্রক্রিয়া’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

প্রতিবেদনে অন্তত পাঁচজন গুম হওয়া ভুক্তভোগী ব্যক্তির জবানবন্দি নিয়েছে কমিশন।

যারা গুমের পর ভারতে পাচার এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি প্রথমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। পরে বাংলাদেশের ডিজিএফআই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে প্রস্তাব পাঠায়, যাতে আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কোনো আদালতের অনুমতি বা নথিভুক্ত মামলার ভিত্তি ছাড়াই বিচারবহির্ভূতভাবে এই পুরো প্রক্রিয়া হয়।

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও, ব্যক্তি অধিকার ও মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। একাধিক ঘটনায় দেখা গেছে, ভারত থেকে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের আবার ডিজিএফআই ও র‍্যাবের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতন করা হয়েছে। কাউকে কাউকে আবারও নিখোঁজ করে ফেলা হয়েছে, যার কোনো খোঁজ পরিবারের কাছে নেই।

গত ১৯ জুন রাজধানীর গুলশানে একটি সংবাদ সম্মেলনে গুম সংক্রান্ত কমিশনের সভাপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা গুমের সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই। কারণ সেটি আমাদের জুরিসডিকশনের বাইরে।

তবে বাংলাদেশে যাদের সম্পৃক্ততা পাচ্ছি তাদের বিষয়ে মামলা করার জন্য পুলিশকে চিঠি দিয়েছি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও ৫-৬টি মামলার কার্যক্রম চলছে।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের

এলএনজি টার্মিনাল-২ চুক্তি পুনর্বহালের দাবি সামিটের