ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ১২ আমল কারিনার মৃত্যুতে শোক জানাতে চান না অভিনেতা আবদুল্লাহ রানা ‘শেখ হাসিনাকে নিয়ে আসবো এই দেশে, তাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলাবো’ জামায়াত নেতার বাড়িতে মিললো ৯৬ বস্তা সরকারি চাল রাতের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের আভাস ভারতের দালালদের হাত-পা ভেঙে পুলিশে সোপর্দ করতে হবে: কর্নেল অলি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার আহ্বান আহমদীয়া মুসলিম জামাত বাংলাদেশের শান্তি সম্মেলনে বাসা ভাড়ার বিনিময়ে স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের অনুমতি: স্বামী ও বাড়িওয়ালা গ্রেপ্তার চাহিদার চেয়ে বেশি গরু জামালপুরে, অনলাইনেও চলছে বেচাকেনা পাটগ্রাম সীমান্তে অনুপ্রবেশের সময় ৭ পাসপোর্টসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক

স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ

একাত্তরের মার্চের দিনগুলো আজও স্মৃতিতে গেঁথে আছে, কারণ সে সময় ছিল মানুষের জন্য এক কঠিন সময়। যুদ্ধ, আতঙ্ক,
  • আপলোড সময় : ১ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১ মার্চ ২০২৬, দুপুর ১০:৫ সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ

একাত্তরের মার্চের দিনগুলো আজও স্মৃতিতে গেঁথে আছে, কারণ সে সময় ছিল মানুষের জন্য এক কঠিন সময়। যুদ্ধ, আতঙ্ক, বিপদ—সব কিছু ছিল। তবে তবুও ছিল একটি স্বপ্ন, একটি সমষ্টিগত উদ্দেশ্য: দেশ মুক্তি পাবে, হানাদারদের তাড়ানো হবে। কিন্তু স্বাধীনতার পর, সেই স্বপ্নের পথ কেমন যেন সঙ্কুচিত হয়ে গেছে। এখন আমরা নিজের কথা ভাবি, সমাজের কল্যাণ বা দেশের জন্য কাজ করার তেমন আগ্রহ আর নেই।


স্বাধীনতা লাভের পর আমাদের রাষ্ট্রে যে পরিবর্তনটি প্রত্যাশিত ছিল, তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। রাষ্ট্রীয় কাঠামো, প্রশাসন, আইনি ব্যবস্থা—সবকিছুই পুরনো আমলাতন্ত্রের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। আমলাতন্ত্রে যেখানে শক্তি থাকে সরকারি আমলাদের হাতে, সেখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা কেবল রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব ছিল না, বরং সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস প্রয়োজন ছিল।


আজও আমরা উন্নতির দিকে যাওয়া বদলে, ব্যক্তি-স্বার্থের দিকে ঝুঁকে পড়েছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সবার সমান অধিকার থাকবে এবং বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু বাস্তবে, যেটি ঘটছে তা হলো—ধনী আরো ধনী হচ্ছে, গরিব আরো গরিব হচ্ছে। বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জাতির গৌরবও সবার মধ্যে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে।


এই সংকট থেকে বের হওয়ার পথ একটাই: একাত্তরের চেতনা—দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ধারণা ফিরিয়ে আনা। আমাদের সব কাজের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে মানুষ, কাজ, এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশকে শক্তিশালী করা। আমাদের শাসকরা যদি এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ না করেন, তবে দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হবে।


যতদিন না দেশের রাজনীতি, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত করা হবে, ততদিন আমাদের সংগ্রাম শেষ হবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই একমাত্র আমাদের পথপ্রদর্শক, এবং সেই চেতনাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ

কেন বউয়ের হাতে ‘চড়’ খেয়েছিলেন ম্যাক্রোঁ