ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শতাধিক গুণী শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টা বা ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ছাড়া ভোটে অংশ নেওয়া অর্থহীন’ ওয়াইডে ছক্কা দিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী ফুটপাতে পুনরায় দোকানপাট গড়ে তোলা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত কোচ জেসুসের কড়া সমালোচনা করলেন রোনালদোর স্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

১ কোটি অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাহিদা, নেপথ্যে শিক্ষা অফিসারদের বাণিজ্য

বিনা মূল্যের পাঠ্যপুস্তকের অতিরিক্ত চাহিদা পাঠানোর অভিযোগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং
  • আপলোড সময় : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৪৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৪৫ সময়
১ কোটি অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাহিদা, নেপথ্যে শিক্ষা অফিসারদের বাণিজ্য

বিনা মূল্যের পাঠ্যপুস্তকের অতিরিক্ত চাহিদা পাঠানোর অভিযোগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রায় এক কোটি অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল বিভিন্ন জেলা, থানা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩৪টি তদন্ত টিমের প্রতিবেদনে এই অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে।


শনিবার (১৮ এপ্রিল) তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়। সেখানে দেখা যায়, কিছু উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত বইয়ের চাহিদা পাঠিয়ে আসছিলেন। পরে এসব বই কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগও পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকও এ সিন্ডিকেটে জড়িত ছিলেন। অতিরিক্ত বই গ্রহণের পর সেগুলো বাজারে কেজি দরে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।


এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যবইয়ের সংখ্যা ছিল ২১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৯টি, আর ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২২ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৩১৮টিতে। অর্থাৎ প্রায় ৯৪ লাখ ৬২ হাজারের বেশি অতিরিক্ত বইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের তদন্তে কিছু উপজেলায় ১৭৯ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত চাহিদা দেওয়ার প্রমাণও পাওয়া গেছে।


এ বিষয়ে এনসিটিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কয়েক বছর ধরেই এ ধরনের অনিয়ম চললেও এবার মাঠ পর্যায়ের তদন্তে তা স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ইতোমধ্যে দুই শতাধিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এনসিটিবির নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য অধ্যাপক আবু নাসের টুকু বলেন, “প্রায় এক কোটি অতিরিক্ত বইয়ের চাহিদার প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”


শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম ঠেকাতে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা