ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
দুপুর ১টার মধ্যে দেশের ৯ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কবার্তা ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা আগের চেয়েও খারাপ: ওবামা জার্মানিকে পিছনে ফেলে শীর্ষে ফিরল ব্রাজিল কাতারের উপহার দেওয়া বিমানই ট্রাম্পের নতুন ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ সচিবের কাছে ‘রেলবন্দর’ চাইলেন সংসদে ওভেন-ওয়াশিং মেশিন চাওয়া সেই এমপি 'আমিই বস' ট্রাম্পের মুখে এমন কথা শুনেই হাসির রোল পড়ল বিশ্বনেতাদের মাঝে ‘এই দলকে কেউ সহজে হারাতে পারবে না’ সময় টিভির পরিচালক আহমেদ জোবায়ের কারাগারে বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ করতে চায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধি সঞ্জয় দেব

দিরাইয়ে দ্বিমুখী সংকটে বোরো চাষিরা

অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো চাষিরা চরম সংকটে পড়েছেন। একদিকে খলায় রাখা কাটা
  • আপলোড সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৫ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ মে ২০২৬, সকাল ৯:২৫ সময়
দিরাইয়ে দ্বিমুখী সংকটে বোরো চাষিরা

অতিবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার হাওরাঞ্চলে বোরো চাষিরা চরম সংকটে পড়েছেন। একদিকে খলায় রাখা কাটা ধান শুকাতে না পেরে পচে যাচ্ছে, অন্যদিকে মাঠে থাকা পাকা ধান পানিতে তলিয়ে নষ্ট হচ্ছে—এতে দ্বিমুখী চাপে দিশেহারা কৃষকেরা। স্থানীয় কৃষকরা জানান, টানা প্রায় ১০ দিনের বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধান শুকানোর সুযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে আগে কেটে আনা ধান মাড়াই ও ঝাড়াই করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক জায়গায় ধানের মধ্যে শেকড় গজিয়ে পচন শুরু হয়েছে, কোথাও আবার তাপ সৃষ্টি হয়ে ধোঁয়াও বের হচ্ছে। এতে ধানের গুণগত মান নষ্ট হয়ে তা মানবখাদ্যের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।


গতকাল মঙ্গলবার কিছু সময় রোদ ওঠায় কৃষকেরা ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেও হঠাৎ বৃষ্টিতে আবারও বিপাকে পড়েন তারা। বরাম হাওরের কৃষক আলী আহমদ বলেন, “রোদ উঠলেই কাজ শুরু করি, কিন্তু বৃষ্টি নামলে সব ভিজে যায়। ধান বাঁচানো কঠিন হয়ে গেছে।” টাংনীর হাওরের কৃষক আব্দুল করিম জানান, “মাঠের ধান কাটব নাকি খলার ধান বাঁচাব বুঝতে পারছি না, শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না।” কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, “কষ্ট করে কেটে আনা ধানই এখন পচে যাচ্ছে। হাঁসের খামারিদের কাছে বিক্রি করলেও দাম খুব কম।”


কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে দিরাই উপজেলার ৩৯টি হাওরে প্রায় ৩০ হাজার ১৭৮ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৭ মেট্রিক টন ধান। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি এবং এপ্রিলের শেষ দিকের অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে যায়।


স্থানীয় কৃষকদের মতে, ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কিছু ধান কেটে আনা গেলেও শ্রমিক সংকট ও আবহাওয়ার কারণে তা-ও নষ্ট হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, দ্রুত আবহাওয়া অনুকূলে না এলে চলতি মৌসুমে দিরাইসহ হাওরাঞ্চলে বড় ধরনের ফসল ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সংসদে বাংলা-ইংরেজি মিশিয়ে নারী এমপির বক্তব্য, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল

সংসদে বাংলা-ইংরেজি মিশিয়ে নারী এমপির বক্তব্য, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল