ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের পর সফলভাবে সমাপ্ত করা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই ইরানকে ফের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, চুক্তিতে না এলে ইরানে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতার আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে। তবে এখনো কোনো পক্ষই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি এবং ইসরায়েলও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার মূল বিষয় ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি। সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ইরান তার ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করবে এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জব্দ করা বিপুল অর্থ ফেরত দেবে।
এদিকে রুবিও জানিয়েছেন, ইরানে নতুন কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই যুক্তরাষ্ট্রের। তিনি বলেন, নতুন সংঘাত এড়ানোই তাদের লক্ষ্য এবং তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, ইরান শর্ত মানলে চলমান অভিযান সম্পূর্ণভাবে শেষ ধরা হবে এবং হরমুজ প্রণালিতে থাকা অবরোধও তুলে নেওয়া হবে। তবে শর্ত না মানলে বোমা হামলা আরও তীব্র হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তারা কেবল ন্যায্য ও সমন্বিত চুক্তিতেই রাজি হবে এবং আলোচনায় নিজেদের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, আলোচনার অংশ হিসেবে প্রাথমিক সমঝোতা হলে পরবর্তী ধাপে বিস্তারিত চুক্তি নিয়ে আরও ৩০ দিনের আলোচনা হতে পারে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন