ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা অবৈধ পুশইন-পুশব্যাকের বিপক্ষে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি হওয়ায় খুরশীদ আলমের চেয়ারম্যান পদে বাধা নেই নির্বাচন নয়, বিসিবির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি অনুসন্ধানে এসেছে আইসিসির প্রতিনিধি দল হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে: মমতা আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন টানা পাঁচ হার শেষে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে স্বস্তির জয় বাংলাদেশের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমানকে চীনের অভিনন্দন ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জোরজবরদস্তির ফল ভালো হবে না: ডা. শফিকুর রহমান জিলহজের শেষভাগে খামেনির জানাজা-দাফন, তেহরানের প্রস্তুতি ২ কোটি মানুষের জন্য

বিদ্যুতের খুচরা দাম ১০-১২ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে

দেশে বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণার প্রস্তুতি শেষ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই
  • আপলোড সময় : ৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৫ সময়
  • আপডেট সময় : ৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:৫ সময়
বিদ্যুতের খুচরা দাম ১০-১২ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে

দেশে বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণার প্রস্তুতি শেষ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার (৩ জুন) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, পাইকারি পর্যায়ে প্রায় ১৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১০ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি হতে পারে।


সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এর মধ্যেই বিদ্যুতের সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির খবর সাধারণ ভোক্তা, ব্যবসায়ী এবং শিল্প খাতের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।


গত মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিদ্যুতের দাম এবং সঞ্চালন মাশুল বৃদ্ধির আবেদন করে। পরে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে ভোক্তা অধিকারকর্মী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা মূল্যবৃদ্ধির বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও অপচয়ের বোঝা গ্রাহকদের ওপর চাপানো উচিত নয়।


সরকারি সূত্রগুলো বলছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকির চাপ বিদ্যুৎ খাতে বড় আর্থিক সংকট তৈরি করেছে। ফলে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে ব্যয় হচ্ছে, তার তুলনায় বিক্রয়মূল্য অনেক কম থাকায় বড় অঙ্কের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে সরকারকে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।


বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন মূল্যহার কার্যকর হলেও সরকারের ভর্তুকির প্রয়োজন পুরোপুরি শেষ হবে না। বরং উৎপাদন ব্যয় ও সরবরাহ ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতেই এই মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুতের দাম বাড়লে আবাসিক গ্রাহকদের পাশাপাশি শিল্প, ব্যবসা ও সেবা খাতেও ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যার প্রভাব পণ্যের দাম ও সামগ্রিক জীবনযাত্রার খরচের ওপর পড়তে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ১ হাজার ৬৯৮ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ১ হাজার ৬৯৮ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ