ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

নবম বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ চুক্তি সই

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে ৯ম বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ
  • আপলোড সময় : ১১ জুন ২০২৬, দুপুর ২:৪৩ সময়
  • আপডেট সময় : ১১ জুন ২০২৬, দুপুর ২:৪৩ সময়
নবম বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ চুক্তি সই

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে ৯ম বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক মিলিয়ে প্রায় ২ দশমিক ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজধানীর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বৈদেশিক সহায়তা অধিশাখার যুগ্মসচিব ড. মো. মোকছেদ আলী এবং চীনের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কাউন্সেলর সং ইয়াং নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।


সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালীর লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াগাছিয়া জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে লোহালিয়া নদীর ওপর বগা ফেরিঘাটের ভাটিতে এই সেতু নির্মিত হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ দশমিক ৩৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল সেতুর পাশাপাশি প্রায় ১ দশমিক ২৭২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।


দীর্ঘদিন ধরে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার মানুষ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের জন্য বগা ফেরিঘাটের ওপর নির্ভরশীল। নতুন সেতু নির্মিত হলে কৃষিপণ্য, মৎস্যসম্পদ ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও দ্রুত, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে। চুক্তি অনুযায়ী, মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থ অনুদান হিসেবে প্রদান করবে চীন সরকার। অন্যদিকে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তর এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।


চুক্তি স্বাক্ষরের পর চীন সরকারের মনোনীত বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান সেতুর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও চূড়ান্ত করবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তুতের কাজও এগিয়ে নিচ্ছে। প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া শেষ হলে মাঠপর্যায়ে নির্মাণকাজ শুরু হবে। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং চীন সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


সংশ্লিষ্টদের মতে, সেতুটি নির্মাণ শেষ হলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে

বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে