ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে: হুমায়ুন কবির বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলে খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের লোহিত সাগরে ইয়ানবু বন্দরের কাছে তেলবাহী জাহাজে হামলা সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব আইফোনের কিস্তির চাপে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন নৃত্যশিল্পী চেকপোস্ট দেখে পালানোর চেষ্টা, তল্লাশিতে মিললো বিদেশি পিস্তল ১৮০ দিনে সরকারের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত ও অব্যবস্থাপনায় বেড়েছে জনভোগান্তি: ১১ দলীয় জোট ১৮০ দিনের কাজের জবাবদিহিতায় গণমাধ্যমের সামনে আবুল হোসেন খান ‘কোচ সেজে’ আর বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না ফেডারেশন কর্মকর্তারা

সাগর থেকে খালি ফিরছে একের পর এক ট্রলার

দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ না পেয়ে
  • আপলোড সময় : ২৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:১২ সময়
  • আপডেট সময় : ২৩ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:১২ সময়
সাগর থেকে খালি ফিরছে একের পর এক ট্রলার

দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ না পেয়ে চরম হতাশায় পড়েছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলে, ট্রলার মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এতে একদিকে যেমন ট্রলার মালিকরা লোকসানে পড়েছেন, অন্যদিকে বাজারে মাছের সরবরাহ কমে দাম বেড়েছে। সরেজমিনে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও স্থানীয় বাজারে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর জেলেরা বড় আশা নিয়ে সাগরে গেলেও অধিকাংশ ট্রলার খালি বা অল্প মাছ নিয়ে ফিরছে। ফলে ঘাটে আগের মতো কর্মচাঞ্চল্যও নেই।


জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি ট্রিপে ১০ থেকে ১৫ দিন সাগরে অবস্থান করে ২০–২৫ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ট্রলার পরিচালনা করতে হয়। জ্বালানি, খাদ্য ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রতিটি ট্রিপে প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়। লাভজনক হতে হলে অন্তত ১০–১২ লাখ টাকার মাছ ধরা প্রয়োজন হলেও অনেক ট্রলার এবার খরচই তুলতে পারেনি। এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মালিক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর বড় আশা নিয়ে সাগরে গিয়ে ১২ দিন অবস্থান করেও কাঙ্ক্ষিত মাছ পাননি। ফলে প্রায় খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে।


অন্যদিকে এফবি সিফাত ট্রলারের মালিক মো. মুজিবুর রহমান জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রচুর মাছ পাওয়ার আশা থাকলেও বাস্তবে পরিস্থিতি ছিল উল্টো। বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা কর্মহীন ছিলেন এবং ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এখন ভরা মৌসুম হলেও সাগরে মাছ কম থাকায় তারা আরও সংকটে পড়েছেন। পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হক বলেন, পরিস্থিতি সাময়িক হতে পারে এবং আগামী কয়েক দিনে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের আহরণ বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।


পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার জি এম মাসুদ শিকদার জানান, গত বছরের তুলনায় এবার মাছের অবতরণ অনেক কম। তবে সাগর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিস্থিতি উন্নতির আশা রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চ্যাটজিপিটিতে সাবেক প্রেমিকাকে হত্যার পরিকল্পনা, গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়ে দিলো এআই

চ্যাটজিপিটিতে সাবেক প্রেমিকাকে হত্যার পরিকল্পনা, গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়ে দিলো এআই