ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ জার্মানিতে তাপপ্রবাহের মধ্যে পানিতে ডুবে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু পূর্বাচলকে ঢাকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত অনুমোদন ‘চিকিৎসকদের গল্পগুজব করে কাটালে হবে না, রোগীদেরও খেয়াল রাখতে হবে’ জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান আজ ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন হাসপাতালে ভর্তি নজরুল ইসলাম খান, ভিড় না করার আহ্বান চিকিৎসকদের রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারে শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরোক্ষ কারিগরি আলোচনা গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরলো পুলিশ

আমৃত্যু কারাদণ্ড নিয়ে কারাগারে ছয় আসামি

রাজধানীর গুলশানে সংঘটিত হোলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ। এক দশক আগে সংঘটিত এই জঙ্গি হামলা
  • আপলোড সময় : ১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:১৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:১৪ সময়
আমৃত্যু কারাদণ্ড নিয়ে কারাগারে ছয় আসামি

রাজধানীর গুলশানে সংঘটিত হোলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্ণ হলো আজ। এক দশক আগে সংঘটিত এই জঙ্গি হামলা শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে ঘটনাটি এখনও স্মরণ করা হয়। ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে সশস্ত্র জঙ্গিরা গুলশানের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে। দীর্ঘ সময় জিম্মি করে রাখার পর তারা ২২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশিরাও ছিলেন।


জিম্মিদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সময় প্রাণ হারান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। পরে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয় এবং দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। মামলার বিচার শেষে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও পরবর্তীতে উচ্চ আদালত সেই রায় পরিবর্তন করে তাদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, হামলার স্থানে সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও তারা পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র ও সহযোগিতার মাধ্যমে এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।


রায়ে আদালত আরও উল্লেখ করেন, হামলার ভয়াবহতা, নিষ্ঠুরতা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দণ্ডপ্রাপ্তদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দণ্ডিতদের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন এবং বাকিরা কারাগারে রয়েছেন। তাদের কয়েকজন সর্বোচ্চ আদালতে খালাস চেয়ে আবেদন করেছেন। বিষয়টি এখনও বিচারাধীন রয়েছে।


হামলার পরদিন পরিচালিত বিশেষ কমান্ডো অভিযানে হামলায় অংশ নেওয়া পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। সেই অভিযান দেশের সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও হোলি আর্টিজান হামলার ক্ষত এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, নিরাপত্তা জোরদার এবং উগ্রবাদ দমনের ক্ষেত্রে এই ঘটনা বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও সতর্কবার্তা হয়ে রয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মায়ের শেষকৃত্য শেষে ক্যাম্পে ফিরলেন ফ্রান্সের কোচ

মায়ের শেষকৃত্য শেষে ক্যাম্পে ফিরলেন ফ্রান্সের কোচ