দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সব ধরনের সংস্কার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, রাতারাতি বড় ধরনের পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে, আর এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচির কাঠামো, নীতিমালা এবং বাস্তবায়নের ভিত্তি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। সরকারের প্রস্তাবিত নীতিগত কাঠামোর প্রতি আইএমএফ সম্মতি জানিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, একটি নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। তাই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সরকারের এই দায়িত্বশীল অবস্থানকে আইএমএফ ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আর্থিক খাতের সংস্কার, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন এবং রাজস্ব আদায়ে সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে আইএমএফ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। কর আদায় বৃদ্ধি এবং কর-জিডিপি অনুপাত উন্নত করার লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনা নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় কিছু শর্ত থাকলেও সেগুলো একবারে নয়, বরং ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ভর্তুকি বা নতুন বেতন কাঠামোর মতো বিষয়গুলো নিয়ে এখনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার সময় আইএমএফের সঙ্গে এ বিষয়ে আরও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন