দেশজুড়ে টানা বৃষ্টি ও কয়েকটি অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সরকার। সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রাজধানীতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, দেশের সব জেলা প্রশাসক, শিক্ষা বোর্ড এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। কোথায় কী পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা বিশ্লেষণ করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, কোনো এলাকায় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে পরে সেই পরীক্ষা আয়োজনের জন্যও প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রশ্নফাঁসের গুজব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাস্তবে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। কিছু প্রতারক চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভুয়া প্রশ্ন ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও জানান, এ ধরনের সাইবার প্রতারণা রোধে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে অনিয়মের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেকোনো অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন