ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘রাজনীতি শিখতে আমার বাসায় আসতে চান পাটওয়ারী’, দাবি মেঘনা আলমের অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন মাশরাফি বাফুফের সঙ্গে কোচের পরিকল্পনা মিলছে না রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ গাইবান্ধায় দ্বিগুন দামে চারা কিনে ধান রোপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ‘এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়’ ইরান যুদ্ধে ৪৫টি রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষতি ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হোটেল বলে পর্যটককে হুমকি, সী-গালের ম্যানেজার গ্রেপ্তার এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোটের সুযোগ দিতে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে তিন ইরানি পাইলটকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের

মার্শাল আর্টের আড়ালে সদস্য সংগ্রহ ও উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তারা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার সাত আসামির সবাই এখন
  • আপলোড সময় : ১৯ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:৫১ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ জুলাই ২০২৬, বিকাল ৫:৫১ সময়
মার্শাল আর্টের আড়ালে সদস্য সংগ্রহ ও উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তারা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার সাত আসামির সবাই এখন কারাগারে। এর মধ্যে মামলার মূল অভিযুক্ত শাহ আমানত সাবির ও মো. তাহসীন ইসলাম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য পাঁচ আসামির রিমান্ড শেষ হওয়ার পর তাদেরও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৃথক দিনে দুই আসামির জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে রিমান্ড শেষে বাকি পাঁচ আসামিকেও আদালতে হাজির করা হলে তাদেরও কারাগারে পাঠানো হয়। ফলে মামলার সাতজন আসামিই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর একটি মাঠে অভিযান চালিয়ে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও একজনকে দেশের অন্য একটি জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।


মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক পেজের মাধ্যমে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে সদস্য সংগ্রহ, গোপন যোগাযোগ এবং মতাদর্শিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। সদস্যরা বিভিন্ন অনলাইন যোগাযোগমাধ্যমে ছদ্মনাম ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির গভীর তদন্ত করছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট। পাশাপাশি পলাতক অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।


রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাবি করেছে, ধর্মীয় ও মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে একটি সংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা চলছিল। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, তাদের মক্কেলরা আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণ দিতেন এবং উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্য, আদালতে দেওয়া দুই আসামির স্বীকারোক্তি এবং জব্দ হওয়া বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে পুরো নেটওয়ার্কের কাঠামো, অর্থায়নের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সংগঠন বিস্তারের অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান

রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান