ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদির এক বছরের ওমরাহ ভিসা, তবুও প্রতিবার পূরণ করতে হবে বিশেষ শর্ত বাংলাদেশের মাটিতে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করতে চাই: ফয়জুল করীম কক্সবাজার সাগরপারে দখল হওয়া ১০ একর জমি উদ্ধার নেপালে কারিগরি ত্রুটি: ৭ ঘণ্টা বিলম্বিত বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দিয়েছে জামায়াত-শিবির: গণঅধিকার পরিষদ এস আলমের বিদ্যুৎ কোম্পানিকে পুরো বাকিতে পণ্য আমদানির সুবিধা আওয়ামী লীগের সব বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত: রাশেদ খান শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে, বিক্ষোভ ভেঙে দেওয়া হলো ১০০ টাকায় ভাত-মাংস বিক্রি করা সেই ভাইরাল ‘মিজানের ভাতের হোটেল’ ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলেন পেজেশকিয়ান

ইরানের অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং তেল বিক্রি থেকে আয় কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন
  • আপলোড সময় : ১৬ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময়
  • আপডেট সময় : ১৬ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময়
অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলেন পেজেশকিয়ান

ইরানের অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং তেল বিক্রি থেকে আয় কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার ১৪ আগস্ট প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বন্দরগুলোতে পণ্য আমদানি করতে আগের তুলনায় বেশি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে। ফলে বেড়ে যাচ্ছে বিভিন্ন পণ্য ও জীবনযাত্রার খরচ।


ইরানের প্রেসিডেন্টের ভাষ্য, আগে জাহাজে করে তুলনামূলক সহজে পণ্য দেশে আনা সম্ভব হলেও এখন নিষেধাজ্ঞার কারণে পণ্যকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ইরানে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে পরিবহন ও আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং শেষ পর্যন্ত সেই অতিরিক্ত খরচ পণ্যের দামের ওপর গিয়ে পড়ছে। পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ইরানের সরকারি রাজস্ব আয়ও আগের তুলনায় কমে গেছে। বিশেষ করে তেল বিক্রি থেকে যে উল্লেখযোগ্য আয় হতো, নিষেধাজ্ঞার কারণে সেই সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।


এ ছাড়া শিল্পকারখানায় হামলার কারণেও সরকারের রাজস্ব কমেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের বেশ কয়েকটি কারখানা ধ্বংস হয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে আগের মতো কর আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। পেজেশকিয়ান বলেন, কারখানাগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় শুধু উৎপাদনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, সরকারের রাজস্ব আয়ের ওপরও এর বড় প্রভাব পড়েছে।


তবে অর্থনৈতিক সংকট, মূল্যস্ফীতি ও রাজস্ব ঘাটতির মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। তার মতে, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু রাখা এবং দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সব মিলিয়ে নিষেধাজ্ঞা, তেল বিক্রির সীমাবদ্ধতা ও শিল্পখাতে ক্ষতির কারণে ইরানের অর্থনীতি বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে বলে প্রেসিডেন্টের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান

রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান