ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত ঘোষণার অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা। এরই মধ্যে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) লেনদেনের শুরুতে অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম এক শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দামও এক শতাংশের বেশি কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের জন্য একটি অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ সামনে আসছে। তেহরানের ওপর নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক চাপ তৈরির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত তুলে ধরার জন্য সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে তার। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কী হবে—বিশেষ করে ইরানের তেল রপ্তানি ও দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য করা অন্যান্য দেশের ওপর এর প্রভাব—তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই তেলের বাজারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা গেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের জবাবে ইরানও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। তেহরান সতর্ক করেছে, অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফলে একদিকে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার অপেক্ষায় তেলের দাম কিছুটা কমলেও, অন্যদিকে ইরান পাল্টা কোনো পদক্ষেপ নিলে ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন