ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন বাবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর, আবেগঘন বার্তা দিলেন কন্যা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, ভিন্ন চিত্র পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য ১১টি করণীয় আমল সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ '৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেবে সরকার' ভারতের কাছে হেরে বিব্রতকর রেকর্ড গড়ল পাকিস্তান যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির হুংকার দেবেন না, বিএনপি রাজপথ থেকে উঠে আসা দল: পানিসম্পদমন্ত্রী

নতুন শিক্ষানীতি নয়, ২০১০ সালের নীতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষায় আসছে সংস্কার

দেশে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন,
  • আপলোড সময় : ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
  • আপডেট সময় : ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪৪ সময়
নতুন শিক্ষানীতি নয়, ২০১০ সালের নীতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষায় আসছে সংস্কার

দেশে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক নীতিমালা তৈরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বুধবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু হলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ফিডিং কর্মসূচির ওরিয়েন্টেশন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পৃথক শিক্ষক নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাজের যথাযথ তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনার বিষয়েও কথা বলেন তিনি। বাংলা ও গণিতের মতো ভিত্তিমূলক বিষয়গুলোতে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে পাঠ্যক্রমে নাগরিক শিক্ষা ও সক্রিয় শিক্ষার বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে।


চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমও পাঠ্যক্রমের অংশ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিগগিরই মধ্যাহ্নভোজ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে।


আগের কর্মসূচির ভুলত্রুটি চিহ্নিত করে সেগুলো সংশোধনের মাধ্যমে নতুন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ মুসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুন অর রশিদ। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?

রেলে নিরাপত্তার চেয়ে টিকিট তল্লাশিতেই বেশি নজর?