রাজধানীর গুলশান ও ঢাকা-১৭ এলাকার কড়াইল, সাততলা ও ভাষানটেক বস্তির বাসিন্দাদের জন্য আধুনিক আবাসন নির্মাণে চীনের কাছে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রস্তাবটিতে প্রাথমিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে চীন। পর্যায়ক্রমে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, তিনটি বস্তিতে বর্তমানে যারা বসবাস করছেন, তাদের জন্য বিনামূল্যে আধুনিক আবাসনের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। চীন প্রাথমিকভাবে এতে সম্মতি জানিয়েছে এবং ধাপে ধাপে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, আমিনবাজারের ল্যান্ডফিলে জমে থাকা বর্জ্য ব্যবহার করে চীনের একটি প্রতিষ্ঠান আগামী দেড় বছরের মধ্যে প্রায় ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে।
২০২৮ সালের আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে আগামী ২ সেপ্টেম্বর চীনে বাংলাদেশ, চীন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে একদিকে রাজধানীর বড় বস্তিগুলোর বাসিন্দাদের আবাসন সংকট কমবে, অন্যদিকে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন