পৌষের বিদায় লগ্নে উত্তরে শিরশিরে ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশার আবর্তে রাজধানীসহ সারা দেশ কাঁপছে কনকনে শীতে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে উত্তরের জেলা নওগাঁয়, ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাস জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে বলা হয়, দেশের চার জেলা—কিশোরগঞ্জ, পাবনা, দিনাজপুর ও চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) বইছে। তা অব্যাহত থাকতে পারে।
কিশোরগঞ্জের হাওর-অধ্যুষিত নিকলী উপজেলায় শতবর্ষের মধ্যে গতকাল দেশের সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সকালে ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী তিন দিন ভারী কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ অব্যাহত থাকবে। ফলে শীতের তীব্রতা বাড়বে। শক্তিশালী পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগামী সপ্তাহে ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে সারা দেশে। বৃষ্টির পর তাপমাত্রা হ্রাস পেয়ে আরেক দফা শৈত্যপ্রবাহের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। সপ্তাহের শেষের দিকে আবারও রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কোনো কোনো জেলার ওপরে সকাল ৬টার সময় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, পুরো রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগের কিছু অংশ এবং যশোর, চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে। আগামী দুই থেকে তিন দিন এটি থাকতে পারে। আজও সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা থাকবে। ফলে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। আগামী দুই-তিন দিন শীতের অনুভূতি বেশি থাকতে পারে। এমন তীব্র শীত কবে নাগাদ কমতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে বজলুর রশিদ বলেন, আগামী ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর পর আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতি হতে পারে।
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন