ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :

যুব উন্নয়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দুই কর্মী বরখাস্ত

সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে এবার সাময়িক বরখাস্ত হলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দুই কর্মী। সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা
  • আপলোড সময় : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১০:১৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১০:১৫ সময়
যুব উন্নয়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দুই কর্মী বরখাস্ত

সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে এবার সাময়িক বরখাস্ত হলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দুই কর্মী। সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে এই ঘটনা সামনে আসার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—পরীক্ষা শুরুর আগেই কীভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হলো, আর এর সঙ্গে কারা জড়িত?


শনিবার, ১৭ অক্টোবর পৃথক অফিস আদেশের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দুই কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তাঁরা হলেন কেন্দ্রীয় কর জরিপ অঞ্চলে কর্মরত অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং উৎসে কর ব্যবস্থাপনা ইউনিটে কর্মরত অফিস সহায়ক মো. নুর মোহাম্মদ। এর আগে শুক্রবার ঢাকার কাওরান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পাঁচ সরকারি কর্মচারীসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এই দুই কর্মীও ছিলেন।


ঘটনাটি ঘটে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগের বাছাই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে। গত ১০ অক্টোবর ২৪২টি শূন্যপদের বিপরীতে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। গুরুত্বপূর্ণ এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সকাল ১০টা ৩ মিনিটে পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। এতে বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন।


ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। পরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের নাম থাকায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের পুরো প্রক্রিয়ায় কার কী ভূমিকা ছিল, প্রশ্নপত্র কীভাবে বাইরে গেল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয়ে তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হবে। সাময়িক বরখাস্তের অর্থ চূড়ান্তভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়; তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।


লাখো চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ জড়িয়ে থাকা একটি নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে স্থগিত হওয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি আরও জোরালো হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, তদন্তে প্রশ্নপত্র ফাঁসের নেপথ্যের পুরো চক্র শনাক্ত হয় কি না এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য পরবর্তী সময়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মহানবী (সা.)–কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, জাবিতে স্থায়ী বহিষ্কারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ

মহানবী (সা.)–কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, জাবিতে স্থায়ী বহিষ্কারসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ