ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘আল্লাহ বাঁচিয়েছেন, ২০ সেকেন্ড দেরি হলেই সবাই শেষ হয়ে যেতাম’ বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌনকর্মীদের চাহিদা তুঙ্গে বিশ্বকাপের খেলা দেখতে আসা পর্যটকদের ঘিরে কার্টেলদের রমরমা যৌন বাণিজ্য শাহজালাল বিমানবন্দরে কার্গো শেডে আগুন, ৪ ইউনিটের প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রকাশ করল এনসিপি তপুর জোড়া গোলে সান মারিনোকে হারালো বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা করলেন মুজতাবা খামেনি ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটি ছিল আজারবাইজান আগ্রাবাদে মাথায় সাদা কাপড় বেঁধে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল

কুড়িগ্রাম জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশাও তীব্র ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে। এতে করে খেটে খাওয়া দিনমজুরা পড়েছেন বিপাকে।
  • আপলোড সময় : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:৩৩ সময়
  • আপডেট সময় : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:৩৩ সময়
কুড়িগ্রাম জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড
উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশাও তীব্র ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে। এতে করে খেটে খাওয়া দিনমজুরা পড়েছেন বিপাকে। দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালানি চলছে যানবাহন। খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারনের চেষ্টা করছেন মানুষ। ঠান্ডাজনিত রোগে বেশির ভাগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। অনেকেই গবাদিপশু নিয়ে আছে বিপদে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রাম জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে মানুষ কাজে বের হতে পারছেন না। দিনমজুর, নৌকার মাঝি, কৃষি শ্রমিক রিকশা ও ভ্যান চালকদের আয় প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কাজ না থাকায় অনেকই পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবনযাপন যাপন করছেন। রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, ভোরে কাজে বের হলে হাত-পাও সিষ্টি লাগি আইসে। কাজ নাই, আয় নাই কিন্তু সংসার তো চলা লাগবে; এখন বিপদে পরছি।

চিলমারী উপজেলার নৌ বন্দর এলাকার নৌকার মাঝি মো. কাশেম মিয়া বলেন, নদীতে কুয়াশা এত বেশি যে নৌকা চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। তিন দিন ধরে কোনো নাই। কুড়িগ্রাম পৌর শহরের আমেনা বেগম বলেন, যে ঠান্ডা ছাগল নিয়ে খুব বিপদে আছি, এ জন্য ছাগলের গায়ে গরম কাপড় দিয়েছি। স্থানীয়রা জানান ঠান্ডা বাড়লেও চরাঞ্চলে এখনো পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র পৌঁছেনি। অনেক এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান রহিম উদ্দিন হায়দার রিপন বলেন, শহরে শীত সহনীয় হলেও চরাঞ্চলে পরিস্থিতি ভয়াবহ। এখানকার মানুষ দিন এনে দিন খায়। কাজ বন্ধ মানেই না খেয়ে থাকা।
 
কুড়িগ্রামে সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস জানান, শিশু ও বয়স্কদের নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বেড়েছে। শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে গরম কাপড় ব্যবহার ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা জরুরি। শীতের এই প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষ— যাদের জীবনে প্রতিটি দিনই সংগ্রামের, আর এই শীতে সেই সংগ্রাম আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
 
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন জানিয়েছেন ইতোমধ্যে নয় উপজেলায় ৫৪ লাখ টাকার ২২ হাজার কম্বল কিনে শীতার্ত মানুষের মাঝে বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র বলেন, বৃহস্পতিবার জেলায় সকাল ৬টায় ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ