ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘আল্লাহ বাঁচিয়েছেন, ২০ সেকেন্ড দেরি হলেই সবাই শেষ হয়ে যেতাম’ বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌনকর্মীদের চাহিদা তুঙ্গে বিশ্বকাপের খেলা দেখতে আসা পর্যটকদের ঘিরে কার্টেলদের রমরমা যৌন বাণিজ্য শাহজালাল বিমানবন্দরে কার্গো শেডে আগুন, ৪ ইউনিটের প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে সাড়ে ৮ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রকাশ করল এনসিপি তপুর জোড়া গোলে সান মারিনোকে হারালো বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত ইরানে ২ হাজারের বেশি বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা করলেন মুজতাবা খামেনি ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটি ছিল আজারবাইজান আগ্রাবাদে মাথায় সাদা কাপড় বেঁধে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটি ছিল আজারবাইজান

ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার সময় ইসরায়েল অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে আজারবাইজানের ভূখণ্ডে বিশেষ কমান্ডো ও গোয়েন্দা দল মোতায়েন
  • আপলোড সময় : ৬ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:১৩ সময়
  • আপডেট সময় : ৬ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:১৩ সময়
ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটি ছিল আজারবাইজান

ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার সময় ইসরায়েল অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে আজারবাইজানের ভূখণ্ডে বিশেষ কমান্ডো ও গোয়েন্দা দল মোতায়েন করেছিল—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইসরায়েলের বিস্তৃত গোপন সামরিক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে আজারবাইজান ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা। বিশেষ করে ইরানের উত্তর সীমান্তে নজরদারি ও সম্ভাব্য সামরিক অভিযান পরিচালনার সুবিধার্থে এই ভূখণ্ড ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।


চারটি অবগত সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, আজারবাইজানের দক্ষিণাঞ্চলে ইরান সীমান্তের কাছে কয়েকটি কৌশলগত স্থানে ইসরায়েলি বিশেষ ইউনিট সক্রিয় ছিল। এর মধ্যে একটি অবস্থান ইরানের তাবরিজ শহর থেকে প্রায় ৬০ মাইল দূরে ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। ওই এলাকায় ড্রোন পরিচালনা এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী কাজ করত বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই অবস্থানগুলো ইসরায়েলকে ইরানের অভ্যন্তরে নজরদারি ও সামরিক তথ্য সংগ্রহে বাড়তি সুবিধা দেয় এবং তাদের কার্যক্রমের পরিসর কয়েক শ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত করতে সহায়তা করে।এ ছাড়া ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সোমালিল্যান্ডেও সীমিত পরিসরে গোপন সামরিক উপস্থিতি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এসব স্থাপনা উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য হলেও পরে তা গোয়েন্দা ও সামরিক কাজে ব্যবহৃত হয় বলে উল্লেখ করা হয়।


তবে এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে আজারবাইজান সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত দেশটির দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কোনো তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য আজারবাইজানের ভূখণ্ড ব্যবহারের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও অতীতের মতো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে আন্তর্জাতিক কিছু গণমাধ্যমে এর আগেও এসব দেশে ইসরায়েলি উপস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।


বিশ্লেষকদের মতে, আজারবাইজান ও ইসরায়েলের সম্পর্ক মূলত প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং জ্বালানি বাণিজ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই কৌশলগত সম্পর্ক অঞ্চলটিতে ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে সিএনএনের এই প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ