৫ আগস্ট, ২০২৪। জুলাই অভ্যুত্থানের পর আকাশ সমান পরিবর্তনের স্বপ্ন। সেই ইতিবাচক আশা নিয়ে ২০২৫ শুরু হলেও তা কতটা মিটেছে বড় প্রশ্ন বছর শেষে।
বিশেষ করে রাজনীতির নামে হানাহানি; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, একটা অংশের আইন নিজ হাতে তুলে নেয়ার প্রবণতা বছরজুড়েই ছিল চোখে পড়ার মতো। ফলে ইতিবাচক বহু কিছু ছাপিয়ে এসব ঘটনা দাগ ফেলেছে জনমনে।
অর্থপাচার, চাঁদাবাজি দৃশ্যমান না হলেও ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসেনি গেলো এক বছরে। বরং ছিল নানা চ্যালেঞ্জ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রধান শক্তি ছিল যে তরুণরা, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট নয় তারা-ও।
তারা বলছেন, জান ও জবানের স্বাধীনতার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা, তাতে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফারাক অনেক। তবুও বিশ্বাস, চাব্বিশে পাল্টে যাবে অনেক কিছু, এগিয়ে যাবে প্রিয় মাতৃভূমি।
সব সংকট কাটিয়ে নতুন বছরে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ, এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের। তারা বলছেন, ভোটের এই বছর পথ দেখাবে স্থিতিশীল-মানবিক পথচলার।
শহর ছাড়িয়ে গ্রাম-গঞ্জে সবখানেই সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা আছে খানিকটা। চায়ের আড্ডায় ঘুরে ফিরেই তাই নির্বাচন প্রসঙ্গ। তাদের চাওয়া একটাই, নিরাপদ হোক জনজীবন, নাগালের মধ্যে থাক জিনিসপত্রের দাম। আর স্বাভাবিক হোক রাজনীতি।
বহু বছর পর নয়া এই বছরে একটা ভালো ভোট হবে সেই আশায় বুক বাঁধছে মানুষ। প্রত্যাশা একটাই, নির্বাচনের পর স্বাভাবিক হবে সবকিছু। গতি আসবে জীবনে, অর্থনীতিতেও। বন্ধ হবে সব ধরনের অস্থিরতাও।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন