ঢাকা | |

রুমিন ফারহানাকে শোকজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে
  • আপলোড সময় : ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ১০:২ সময়
  • আপডেট সময় : ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ১০:২ সময়
রুমিন ফারহানাকে শোকজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান। গত রোববার রাতে জারি করা নোটিশে আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে অথবা তার আগে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও মৌখিক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, গত ১৭ জানুয়ারি বিকেল আনুমানিক ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ লোকের উপস্থিতিতে একটি নির্বাচনি জনসভা করেন রুমিন ফারহানা। সেখানে বৃহৎ মঞ্চ নির্মাণ করে মাইকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেন, যা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর লঙ্ঘন।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিকভাবে সমাবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে রুমিন ফারহানা তার সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ দেখিয়ে হুমকিসূচক বক্তব্য দেন। এ সময় তার কর্মী-সমর্থকরাও মারমুখী আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, এভাবে ‘মব’ সৃষ্টি করে বিচারিক কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি দেওয়া নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এর আগে, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ‘মব’ সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়। চিঠিটি নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এবং সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে পাঠিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ওইদিন ইসলামাবাদ এলাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত রুমিন ফারহানার সমর্থক জুয়েল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে রুমিন ফারহানা নির্বাচনি প্রচারণায় প্রশাসনের বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ