ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়’, ঐকমত্য কমিশন নিয়ে সংসদে প্রশ্ন শাহাদাত হোসেন সেলিমের সাবেক প্রসিকিউটরের ‘কোটি টাকার ঘুষ’ দাবি, তদন্তে মিলল প্রাথমিক সত্যতা ঝিনাইদহে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ইরানি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করলো যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসহ তিন মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন সচিব পরীক্ষাকেন্দ্রে এমপির লাইভ: বোর্ড বলছে, ‘বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছি’ ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত, বিরোধী দলও একমত সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া নিষেধ তেহরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার

‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর পরিচয়ে সাধারণ মানুষের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের প্রবণতা রোধে কঠোর অবস্থান
  • আপলোড সময় : ২২ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৩৫ সময়
  • আপডেট সময় : ২২ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৩৫ সময়
‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর পরিচয়ে সাধারণ মানুষের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের প্রবণতা রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এ ধরনের অপসংস্কৃতি ও হয়রানি বন্ধে নবপ্রণীত ‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’ কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, এই আইনের আওতায় যেকোনো অভিযোগের তদন্ত সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে, যাতে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যায়।


নেত্রকোণা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। প্রশ্নে বলা হয়, বর্তমানে কিছু ব্যক্তি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর পরিচয়ে সাধারণ মানুষের ভিডিও অনুমতি ছাড়া ধারণ করে কুরুচিপূর্ণভাবে প্রচার করছে। পাশাপাশি ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ঘটনাও বাড়ছে—এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হয়। মন্ত্রী জানান, ১০ এপ্রিল পাস হওয়া নতুন সাইবার আইনের ২৫(১) ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইলিং, যৌন হয়রানি বা ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে শাস্তি বেড়ে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।


এছাড়া ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়কে ‘সাইবার প্রতারণা’ হিসেবে গণ্য করে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। অনলাইনে আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালককে তাৎক্ষণিকভাবে কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর মাধ্যমে এসব ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করা হবে।


মন্ত্রী আরও বলেন, জরুরি পরিস্থিতিতে পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেওয়া হয়েছে। সাইবার অপরাধ শনাক্তে আধুনিক প্রযুক্তি ‘সোয়ার’ ও ‘ইডিআর’ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে বলেও সংসদকে জানান তিনি। পাশাপাশি বিদেশে বসে যারা সাইবার অপরাধে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ

রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে ‘মার্কিন ছাড়ের’ খবর ভিত্তিহীন: জ্বালানি বিভাগ