ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে নকল ওষুধ বিক্রির দায়ে ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ১৩ ভারতীয় যুদ্ধ শেষ করতে আমাদের চীনের প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৭ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ আমি আদালতে আসবো, হাজিরা দেবো, অভ্যাস হয়ে গেছে: লতিফ সিদ্দিকী আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ধানের মণ ৮০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি ১২০০ শাপলা গণহত্যার পর জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে জুলাই হতো না: নাহিদ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত, আটক ২ ফেন্টানাইল পাচারের অভিযোগে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানসহ ১৩ জনের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মা-ছেলে

২ শতাংশ জমা দিলেই নিয়মিত হবে খেলাপি ঋণ

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন একটি বড় সুযোগ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে
  • আপলোড সময় : ১০ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময়
  • আপডেট সময় : ১০ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময়
২ শতাংশ জমা দিলেই নিয়মিত হবে খেলাপি ঋণ

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন একটি বড় সুযোগ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ পাবেন ব্যবসায়ীরা, যেখানে মাত্র ২ শতাংশ অর্থ জমা দিয়েই পুনঃতফসিল সুবিধা নেওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই সুবিধার আওতায় ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। পাশাপাশি ঋণ নিয়মিত হওয়ার পর প্রথম দুই বছর পর্যন্ত পরিশোধে বিরতি সুবিধাও পাওয়া যাবে।


তবে পূর্বে নীতিসহায়তার আওতায় যারা ইতোমধ্যে ঋণ নিয়মিত করেছেন, তারা এই নতুন সুবিধা পাবেন না। শুধু ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত যেসব ঋণ খেলাপি হয়েছে, তারাই এই সুযোগের আওতায় আসবেন। নীতিমালা অনুযায়ী, সুবিধা নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে হবে। ব্যাংকগুলোকে আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে।


বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এককালীন ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রেও এক বছর সময় পাওয়া যাবে এবং এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আলাদা কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। তবে শর্ত হলো—চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট গ্রাহক নতুন কোনো ঋণসুবিধা পাবেন না। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হবে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে নীতিসহায়তার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঋণ নিয়মিত করা হয়েছে, যার ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ সাময়িকভাবে কমে এসেছে। তবে ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে খেলাপি ঋণের চাপ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই সুবিধা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়ক হলেও এর সঠিক বাস্তবায়ন না হলে ব্যাংক খাতে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ