ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
‘রাজনীতি শিখতে আমার বাসায় আসতে চান পাটওয়ারী’, দাবি মেঘনা আলমের অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন মাশরাফি বাফুফের সঙ্গে কোচের পরিকল্পনা মিলছে না রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ গাইবান্ধায় দ্বিগুন দামে চারা কিনে ধান রোপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ‘এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়’ ইরান যুদ্ধে ৪৫টি রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ক্ষতি ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হোটেল বলে পর্যটককে হুমকি, সী-গালের ম্যানেজার গ্রেপ্তার এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোটের সুযোগ দিতে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে তিন ইরানি পাইলটকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের

চীনের সঙ্গে জিও পলিটিকাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল

চীনের সঙ্গে ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে অবকাঠামো
  • আপলোড সময় : ১৮ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৪:৫১ সময়
  • আপডেট সময় : ১৮ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৪:৫১ সময়
চীনের সঙ্গে জিও পলিটিকাল ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল

চীনের সঙ্গে ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিএনপি। একই সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কারিগরি শিক্ষা এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সমিতির আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।


মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গতিশীল করেছে। তিনি জানান, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ছে এবং বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি শুধু চীনের সঙ্গেই নয়, বিশ্বের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গেও ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিল্পায়নের ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।


মন্ত্রী বলেন, আধুনিক সড়ক নির্মাণ, সৌরবিদ্যুৎ, সবুজ জ্বালানি এবং কারিগরি শিক্ষায় চীনের সহযোগিতা বাড়লে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে উচ্চগতির রেল প্রযুক্তি চালুর বিষয়ে চীন আগ্রহী। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, ঢাকা ও সিলেটকে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।


রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে চীন আগের মতোই বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে যাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও উন্নয়ন সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান

রাতে ঘুম আসছে না? একজোড়া মোজাই হতে পারে সহজ সমাধান