ঢাকা | |

জামায়াত নেতার বাড়িতে মিললো ৯৬ বস্তা সরকারি চাল

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ইমানআলী বাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৬ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার
  • আপলোড সময় : ১৭ মে ২০২৬, দুপুর ১০:২৫ সময়
  • আপডেট সময় : ১৭ মে ২০২৬, দুপুর ১০:২৫ সময়
জামায়াত নেতার বাড়িতে মিললো ৯৬ বস্তা সরকারি চাল

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ইমানআলী বাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে ৯৬ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন। শনিবার (১৬ মে) বিকেল ৩টার দিকে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব চাল উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. আবদুস সামাদ ওরফে ডাক্তার সামাদ ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির বলে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া চাল বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তার সামাদের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল মজুদ করা ছিল। এসব চাল পরে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনকে জানালে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন এবং চাল উদ্ধার করেন। তবে অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, এসব চাল পাশের জেলা লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার তিনটি মাদ্রাসা থেকে বৈধভাবে ক্রয় করা হয়েছে।


সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৯৬ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। চালের বৈধ কাগজপত্র চাওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা উপস্থাপন করা হয়নি। কাগজপত্র না পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে ঘটনার পর উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি প্রতিবাদপত্র দেওয়া হয়েছে। এতে দাবি করা হয়, ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাই একজন বৈধ ডিলার এবং তিনি সরকারি নিয়ম মেনে মাদ্রাসাগুলো থেকে চাল ক্রয় করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। উল্লেখিত তিনটি মাদ্রাসা হলো—শিক্ষা গ্রাম দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা, আশরাফুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা এবং ইখলাস নুরানী কওমী মাদ্রাসা।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
৩টি করে ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক, জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে কার্যকর

৩টি করে ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক, জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে কার্যকর