ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দলের ঠিকাদাররা কাজ পাচ্ছেন না, সংসদে উদ্বেগ চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন নেইমার তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতার’ পুনরায় সংজ্ঞায়ন দরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ফিলিপাইনে নিহত বেড়ে ৩২ অভিষেকেই ৪৭ বছর রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার চিরকুট লিখে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা আজাদ কাশ্মীরে পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ২৩ পুলিশ বাজেটে ইউটিউবার-ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আসতে পারে বিশাল সুখবর ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা

ব্যবসা পরিচালনায় লাইসেন্স অনুমোদন ও করসেবা সহজ করা হচ্ছে

ব্যবসা সহজীকরণে বড় ধরনের সংস্কারের ঘোষণা আসতে যাচ্ছে আগামী বাজেটে। ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত
  • আপলোড সময় : ৯ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
  • আপডেট সময় : ৯ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫০ সময়
ব্যবসা পরিচালনায় লাইসেন্স অনুমোদন ও করসেবা সহজ করা হচ্ছে

ব্যবসা সহজীকরণে বড় ধরনের সংস্কারের ঘোষণা আসতে যাচ্ছে আগামী বাজেটে। ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পাশাপাশি ‘কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস’ কমাতে একগুচ্ছ ডি-রেগুলেশন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন ব্যবস্থায় কোনো প্রতিষ্ঠান নতুন লাইসেন্স বা ব্যবসা সম্প্রসারণের আবেদন করলে সাত দিনের মধ্যে প্রভিশনাল অনুমতি দেওয়া হতে পারে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত লাইসেন্স দিতে ব্যর্থ হলে সেটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হিসেবে গণ্য করার বিধানও থাকতে পারে।


এছাড়া ব্যবসায়ীদের বারবার লাইসেন্স নবায়নের ঝামেলা কমাতে সব ধরনের লাইসেন্স ও অনুমতির মেয়াদ পাঁচ বছর করার প্রস্তাবও রয়েছে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব সংস্কারের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করা।


বাজেট বক্তৃতায় ‘ডিরেগুলেশনের মাধ্যমে ব্যবসা সহজীকরণ’ শিরোনামে একটি আলাদা অধ্যায় যুক্ত করা হতে পারে, যেখানে কর ছাড়, প্রশাসনিক সংস্কার এবং বিনিয়োগ সহায়তা বাড়ানোর বিষয়গুলো থাকবে। একই সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর-এর কার্যক্রমেও বড় ধরনের ডিজিটাল সংস্কার আসছে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইনে করপোরেট ট্যাক্স রিটার্ন জমা, সারা বছর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ এবং সময়মতো রিটার্ন জমাদানকারীদের জন্য প্রণোদনা। অন্যদিকে দেরিতে রিটার্ন জমা দিলে অতিরিক্ত করের বিধানও থাকতে পারে।


কর রেয়াত বা রিফান্ড সরাসরি করদাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে, যা কর প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও গতি বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। এনবিআর করদাতা সেবা সহজ করতে একটি মোবাইল অ্যাপ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা করছে, যার নাম হতে পারে ‘বাংলাবিজ’। এছাড়া কর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে অটোমেশন বাড়ানো, কর ফাইলিংয়ের জটিলতা কমানো এবং সেবা দ্রুততর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


কর সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাও সংস্কারের আওতায় আনা হচ্ছে। আপিল, ট্রাইব্যুনাল, হাইকোর্ট এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর প্রক্রিয়াকে আরও সময়সীমার মধ্যে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি এডিআর ব্যবস্থায় অংশ নেওয়ার সুযোগও তৈরি হতে পারে। সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেটে ব্যবসা ও কর ব্যবস্থায় বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনাকে আরও সহজ করার লক্ষ্যেই নেওয়া হচ্ছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে

বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে