ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
লোডশেডিংয়েও ভালো থাকবে মন! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ তীব্র কূটনৈতিক চাপে বিদেশি বাহিনীকে উদ্ধার কাজের অনুমতি দিল নেপাল ব্রাজিলের সঙ্গে খেলতে একটা পরিবর্তন চায় বাফুফে কওমি শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকতে বললেন রাশেদ খাঁন অনর্থক সমালোচনা বন্ধ করে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত: চিফ হুইপ বই দেখে পরীক্ষা দিচ্ছিল শিক্ষার্থীরা, ভিডিও করায় দুই সাংবাদিককে মারধর করেন শিক্ষকরা জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে কমিটি গঠন পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল: মমতা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই সুন্দরবনে শুঁটকির কারখানা

লোডশেডিংয়েও ভালো থাকবে মন!

জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে দেশজুড়ে বেড়েছে লোডশেডিং। দিনের ব্যস্ত সময় কিংবা রাতে বিশ্রামের মুহূর্তে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে
  • আপলোড সময় : ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:১৭ সময়
  • আপডেট সময় : ২৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ৩:১৭ সময়
লোডশেডিংয়েও ভালো থাকবে মন!

জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে দেশজুড়ে বেড়েছে লোডশেডিং। দিনের ব্যস্ত সময় কিংবা রাতে বিশ্রামের মুহূর্তে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে বিরক্তি ও মানসিক চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু কার্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে লোডশেডিংয়ের সময়টিকেই মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার কাজে লাগানো সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বা ডিজিটাল পর্দা ছাড়া কাটানো সময় মস্তিষ্ককে বিশ্রামের সুযোগ দেয়। এ সময় মস্তিষ্কের ডিফল্ট মোড নেটওয়ার্ক সক্রিয় হয়ে সৃজনশীলতা, স্মৃতিশক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।


তাই লোডশেডিংয়ের সময় মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে ব্যস্ত না থেকে বই পড়া, ডায়েরি লেখা কিংবা ধাঁধা সমাধানের মতো কাজ করা যেতে পারে। এতে একদিকে যেমন সময় কাটবে, অন্যদিকে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতাও বাড়তে পারে। বিদ্যুৎ না থাকার সময় ১৫ থেকে ২০ মিনিট হালকা ব্যায়াম, স্ট্রেচিং বা যোগব্যায়ামও করা যেতে পারে। শারীরিক কসরত মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমাতে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত গরম বা বাইরে নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকলে শরীরের অবস্থা বিবেচনা করে ব্যায়াম করা উচিত।


লোডশেডিংকে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। মোবাইল ফোন একপাশে রেখে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করা কিংবা লুডু, দাবা ও ক্যারামের মতো খেলায় অংশ নেওয়া যেতে পারে। এতে পারিবারিক যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তিও মিলতে পারে। পছন্দের গান শোনাও মন ভালো রাখার একটি সহজ উপায়। শান্ত সুর বা প্রিয় সংগীত মানসিক চাপ কমাতে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করতে সাহায্য করতে পারে। বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যাটারিচালিত নিরাপদ যন্ত্র থাকলে সেটি ব্যবহার করা যেতে পারে।


তবে লোডশেডিংয়ের সময় নিরাপত্তার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রিজের দরজা অপ্রয়োজনে বারবার খোলা উচিত নয়। এতে ভেতরের ঠান্ডা দ্রুত বেরিয়ে যায় এবং খাবার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ঘরের ভেতরে কখনো জেনারেটর বা কয়লা জ্বালানো যাবে না। এতে বিষাক্ত গ্যাস জমে গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একইভাবে আগুনের ঝুঁকি কমাতে মোমবাতির বদলে রিচার্জেবল বাতি বা নিরাপদ আলোর উৎস ব্যবহার করা ভালো।


অর্থাৎ, লোডশেডিংকে শুধু দুর্ভোগ হিসেবে না দেখে কিছুটা পরিকল্পনা করে কাজে লাগানো গেলে এই বিদ্যুৎহীন সময় হতে পারে বিশ্রাম, পরিবারকে সময় দেওয়া এবং ডিজিটাল পর্দা থেকে সাময়িক বিরতির একটি সুযোগ।


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান