পূজার উৎসব ঘিরে কেউ অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। উৎসবের আনন্দ যেন কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ম্লান না হয়, সে বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, পূজা শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি সবার অংশগ্রহণে আনন্দময় হয়ে উঠতে পারে।
বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর দুপুরে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় পূজামণ্ডপে ডিও প্রদান এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, পূজার উৎসবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর হাতে তা দমন করা হবে।
ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পূজা সারা বাংলাদেশের উৎসব। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। ধর্মীয় পরিচয়ের পার্থক্য থাকলেও সবাই বাংলাদেশি, এটাই সরকারের প্রত্যাশা। তিনি আরও বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, অতীতে ক্ষমতায় না থাকলেও বিএনপি পূজার উৎসবকে সবার জন্য আনন্দময় করে তুলতে চেষ্টা করেছে। এবারও সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় পর্যায়েও পূজার উৎসবকে নির্বিঘ্ন ও আনন্দময় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুল ইসলাম এবং লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবুসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সব মিলিয়ে, পূজার উৎসবকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এখন উৎসবের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন