ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার নেমেছে ৪৪.৮৪ শতাংশে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান একীভূত করার ভাবনা, শিক্ষকদের চাকরি যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পাওয়া ৮৮৬ জনের মধ্যে ছাত্রী ৭০৬ জন আট বছরের মধ্যে পাসের হার সর্বনিম্ন, ৪৯ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল ৯ গুলিতে আহত উল্লেখ করে মামলা, তদন্তে উঠে এল ‘ঘটনাই ঘটেনি’ প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মাদকাসক্তি, পরে ইন্টারনেট দেখে গড়েন ইয়াবা কারখানা ভারতের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে স্যান্টনারের রেকর্ড স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে প্রধানমন্ত্রীকে ‘ঘেরাও’ করার হুমকি নাহিদের রাস্তায় রোবট কুকুর হাঁটানোর চাকরি, ঘণ্টায় বেতন প্রায় ২৫০০ টাকা কলকাতায় গ্যাস ১ হাজার, বাংলাদেশে কিনতে লাগে ২ হাজার ৫০০ টাকা: আখতার

আট বছরের মধ্যে পাসের হার সর্বনিম্ন, ৪৯ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধাক্কা খেয়েছে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড। এবার পাসের হার ও
  • আপলোড সময় : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:৩২ সময়
  • আপডেট সময় : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:৩২ সময়
আট বছরের মধ্যে পাসের হার সর্বনিম্ন, ৪৯ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধাক্কা খেয়েছে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড। এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই অবনতি হয়েছে। পাস করেছেন মাত্র ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। গত আট বছরের মধ্যে এটিই এই বোর্ডের সর্বনিম্ন পাসের হার।


শনিবার বেলা ১১টায় ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেন দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আট জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫১ হাজার ৩৯৮ জন। ফলে সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে।


এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৮৩ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৫৭০ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলেও দেখা গেছে উদ্বেগজনক চিত্র। এবার মাত্র ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।


গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৬ সালে এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২০১৭ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৬৫ দশমিক ৪৪ শতাংশে। ২০১৮ সালে পাসের হার ছিল ৬০ দশমিক ২১ শতাংশ। ২০১৯ সালে বেড়ে হয় ৭১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের কারণে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় শতভাগ শিক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২১ সালে সব বিভাগে তিনটি ঐচ্ছিক বিষয়ে পরীক্ষা হওয়ায় পাসের হার দাঁড়ায় ৯২ দশমিক ৪৩ শতাংশে। ২০২২ সালে সব বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে ৭৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৫৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন। এবার সেই হার আরও কমে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমে এসেছে।


বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাস করেছেন ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। লিঙ্গভিত্তিক ফলাফলেও ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার চিত্র দেখা গেছে। এবার ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ, আর ছাত্রীদের পাসের হার ৫০ দশমিক ২৬ শতাংশ।


সব মিলিয়ে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের এবারের ফলাফল গত কয়েক বছরের তুলনায় বড় অবনতির চিত্র তুলে ধরেছে। বিশেষ করে পাসের হার আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হওয়ায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফলাফল নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মেসি কাপে মেসির রসিকতা

মেসি কাপে মেসির রসিকতা