ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

তারল্য সহায়তা ভিন্নখাতে ব্যবহার, ব্যাংকে টাকা পাচ্ছে না গ্রাহকরা

তারল্য সহায়তা পাওয়া সত্ত্বেও গ্রাহক সেবা স্বাভাবিক রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে ব্যাংকগুলো। বেসরকারি খাতের ব্যাংগুলোর মধ্যে চলমান এই সংকট
  • আপলোড সময় : ১৭ আগস্ট ২০২৫, দুপুর ২:৩৬ সময়
  • আপডেট সময় : ১৭ আগস্ট ২০২৫, দুপুর ২:৩৬ সময়
তারল্য সহায়তা ভিন্নখাতে ব্যবহার, ব্যাংকে টাকা পাচ্ছে না গ্রাহকরা ছবি : সংগৃহীত

তারল্য সহায়তা পাওয়া সত্ত্বেও গ্রাহক সেবা স্বাভাবিক রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে ব্যাংকগুলো। বেসরকারি খাতের ব্যাংগুলোর মধ্যে চলমান এই সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।


পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, একীভূতকরণের আলোচনায় থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক এখন চরম তারল্য সংকটের মধ্যে রয়েছে। এসব ব্যাংকের গ্রাহকরা নিজের জমানো টাকাও তুলতে পারছেন না।


সংশ্লিষ্টরা বলছে, দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টাকা ছাপিয়ে সহায়তা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু গ্রাহকের দায় পরিশোধের নামে এই টাকা নিলেও ধারের এসব টাকা ভিন্নখাতে ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্যাংককে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে গত কয়েক মাসে তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা ধার দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার পেয়েও সংকট কাটাতে পারছে না ব্যাংকগুলো।


সার্বিক বিষয়ে গ্রাহকদের টাকা দিতে না পারার ব্যাপারে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি ব্যাংকগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ব্যাংকের অনিয়ম, দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং মার্জার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণে গ্রাহকের আস্থা ফিরে আসেনি।


বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, নিয়ম কানুন মেনেই ব্যাংকগুলোকে সহায়তা দেয়া হয়। কিছু ব্যাংকে সহযোগিতা করা হয়েছে। কেননা, গ্রাহকের আস্থা ধরে রাখতে এসব করা হয়েছে। গ্রাহকদের দায় পরিশোধ ছাড়া এই টাকা অন্য কোনো খাতে ব্যয় করার সুযোগ নেই।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ