সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্ল্যামারাস সাজপোশাক ও রিলস ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া ‘রিহিয়া রিহি’-র আসল পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। তিনি মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলাম। রোববার (৬ এপ্রিল) জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মামুন খান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী জানান, রেদোয়ান কমিটিতে পুরুষ হিসেবে পদ পেয়েছিলেন। তবে পরে নারী সেজে ভিডিও বানানোর তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
রেদোয়ান ইসলাম নিজে লিঙ্গ পরিবর্তনের বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি ট্রান্সজেন্ডার নন। ফেসবুকে তিনি বলেছেন, “আমি একজন সম্পূর্ণ ছেলে এবং সংস্কৃতিকর্মী। মূলত বিনোদনের উদ্দেশ্যেই নারী সেজে ভিডিওগুলো বানাতাম। আমি আমার ভুল বুঝেছি এবং ক্ষমা চাচ্ছি।” রেদোয়ানের বাবা জাহাঙ্গীর আলমও বিষয়টিকে গুজব হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, রেদোয়ান ভিডিও বানাতেন দেখাদেখির কারণে এবং পরিবারের কেউ সমর্থন করেননি।
এদিকে রেদোয়ান তার টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করে দিয়েছেন এবং বিতর্কিত কন্টেন্টগুলো ফেসবুক থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। ঘটনাটি নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, যেখানে কেউ এটিকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয় হিসেবে দেখলেও ছাত্রদল বিষয়টিকে তথ্য গোপনের ঘটনায় গুরুত্ব দিয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন