ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে ছাত্রলীগের ১১ জন কর্মীর নাম রয়েছে—এমন অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে ছাত্রদল এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় ছাত্রলীগে যুক্ত ছিলেন না; বরং হলে থাকার সুযোগ পেতে বাধ্য হয়ে তাদের নাম ওই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। মঙ্গলবার (৬ মে) কলেজ ক্যানটিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল এ ব্যাখ্যা দেয়।
গত ১ মে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার ৫১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আহ্বায়ক করা হয় তানভীর আব্দুল্লাহ এবং সদস্যসচিব মেহেদী হাসানকে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ওঠে, কমিটিতে ২০২৩ সালের ছাত্রলীগ কমিটির ১১ জন পদধারী স্থান পেয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সদস্যসচিব মেহেদী হাসান বলেন, কলেজের আবাসন সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে হলে থাকতে গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কমিটিতে নাম যুক্ত হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থীদের অনেকেই বাস্তবে ছাত্রলীগের কোনো কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন না।
তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালে গঠিত ছাত্রলীগের কমিটিতে হলে থাকা শিক্ষার্থীদের ঢালাওভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যার ফলে অনেকের নাম জোরপূর্বক সেখানে চলে যায়। ছাত্রদলের দাবি, যাচাই-বাছাই করে এবং যাদের রাজনৈতিক অবস্থান ছাত্রদলের সঙ্গে ছিল, তাদেরই নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনটির মতে, “হলে থাকা মানেই রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে দেওয়ার একটি প্রবণতা আগে ছিল।”
এছাড়া তারা অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একটি “ভুল বর্ণনা” ছড়িয়ে ছাত্রদলকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল শাখার আহ্বায়ক তানভীর আব্দুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নূর এ জাওয়াত রুতাপসহ অন্যান্য নেতারা।
নিউজ ডেস্ক
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন