ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ নিলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ধানের মণ ৮০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি ১২০০ শাপলা গণহত্যার পর জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে জুলাই হতো না: নাহিদ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত, আটক ২ ফেন্টানাইল পাচারের অভিযোগে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানসহ ১৩ জনের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মা-ছেলে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ ৩০ জুনের মধ্যে খাজনা পরিশোধে ভূমি মালিকদের জরুরি নির্দেশনা নির্বাচনে বিএনপি ভোট কারচুপি করে নির্বাচনী ফলাফল পরিবর্তন করেছে: এটিএম আজহার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন

ধানের মণ ৮০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি ১২০০

“ধানের মণ ৮০০ টাকা, আর শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা—তাহলে আমরা খাবো কী, আর বেচবই বা কী?”—এভাবেই ক্ষোভ ও
  • আপলোড সময় : ১৩ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১১ সময়
  • আপডেট সময় : ১৩ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১১ সময়
ধানের মণ ৮০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি ১২০০

“ধানের মণ ৮০০ টাকা, আর শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা—তাহলে আমরা খাবো কী, আর বেচবই বা কী?”—এভাবেই ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছিলেন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কৃষক নজরুল ইসলাম। চলতি বোরো মৌসুমে জামালপুর জেলা–এ ধানের বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি নেই। মঙ্গলবার (১২ মে) মাহমুদপুর গ্রামের মাঠে দাঁড়িয়ে কৃষকরা জানান, এক বিঘা জমিতে ধান উৎপাদনে গড়ে ২৩–২৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এর মধ্যে জমি প্রস্তুতি, সার, সেচ ও পরিচর্যার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় চাপ তৈরি করছে শ্রমিক খরচ।


স্থানীয় হিসাব অনুযায়ী, এক বিঘা জমির ধান কাটতে প্রায় ৮ জন শ্রমিক লাগে। প্রতি শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা ধরলে শুধু ধান কাটতেই প্রায় ৯,৬০০ টাকা খরচ হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি বিঘায় গড়ে ২৪–২৫ মণ ধান উৎপাদন হলেও বাজারে প্রতি মণ ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করে আয় হচ্ছে প্রায় ২০ হাজার টাকার কাছাকাছি। ফলে কৃষকরা প্রতি বিঘায় গড়ে ৩–৫ হাজার টাকা লোকসান গুনছেন। কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, “সব খরচ মিটিয়ে আসল টাকাই উঠছে না, লাভ তো দূরের কথা।”


আরেক কৃষক সুরুজ মিয়া জানান, দীর্ঘদিন চাষাবাদ করলেও এমন লোকসানের পরিস্থিতি আগে কখনো দেখেননি। তার মতে, সবকিছুর দাম বাড়লেও ধানের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার জেলায় বিপুল পরিমাণ জমিতে বোরো চাষ হলেও বাজারমূল্যের এই নিম্নগতিতে কৃষকরা উদ্বিগ্ন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলম শরীফ খান বলেন, কৃষকদের ধান ধরে না রেখে কিছুদিন পর বিক্রি করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করলে তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়া যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আকাশে দেখা গেল ‘রহস্যময়’ আলো

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আকাশে দেখা গেল ‘রহস্যময়’ আলো