ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে আজিমপুর সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ব্যবসায়ীদের বাড়তি ব্যয় না থাকলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব হতো: মাসুদুজ্জামান উত্তরায় চীনা নাগরিকদের মাসের পর মাস লাইভ ভিডিও, গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের সচিবের সঙ্গে পুতিনের বৈঠক কুবি শিক্ষার্থীদের তল্লাশি, পুলিশ পরিচয় দেওয়া তিনজনকে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন শিক্ষার্থীরা তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ শ্রমিকদের দাবির আড়ালে সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী মদিনার দিকে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, ধ্বংসের দাবি সৌদি জোটের মুসলিম আইনে সম্পত্তিতে নারীর অধিকার

চট্টগ্রামে পাহাড় ছাড়তে মাইকিং, আশ্রয়কেন্দ্রে গেল মাত্র ২৭০ জন

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের আশঙ্কা বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে জেলা প্রশাসন
  • আপলোড সময় : ৮ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:২০ সময়
  • আপডেট সময় : ৮ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:২০ সময়
চট্টগ্রামে পাহাড় ছাড়তে মাইকিং, আশ্রয়কেন্দ্রে গেল মাত্র ২৭০ জন

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পাহাড়ধসের আশঙ্কা বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে জেলা প্রশাসন বারবার আহ্বান জানালেও অনেকেই সেই নির্দেশনা মানছেন না। প্রাণহানির ঝুঁকি জেনেও পরিবার নিয়ে পাহাড়ের ঢালেই বসবাস চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে মাইকিংসহ বিভিন্নভাবে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে আশ্রয়কেন্দ্রও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষ সরিয়ে নেওয়া এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে অবৈধ বসতি উচ্ছেদ করা হলেও রাতের আঁধারে আবারও সেখানে নতুন করে ঘরবাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। ফলে বছরের পর বছর ধরে পাহাড় দখল ও ঝুঁকিপূর্ণ বসতি গড়ে তোলার প্রবণতা বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নদীভাঙন ও ভূমিহীনতার কারণে অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে পাহাড়ে বসতি গড়ে তুলছেন। তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে অবৈধ বসতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে কিছু প্রভাবশালী ভূমিদস্যু এসব অসহায় মানুষকে ব্যবহার করে সরকারি পাহাড় দখল করে রাখছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।


জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরে এসে নগরীর চারটি আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ২৭০ জন নারী, পুরুষ ও শিশু আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানে তাদের খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চট্টগ্রামে পাহাড়ধস নতুন কোনো ঘটনা নয়। ২০০৭ সালের ভয়াবহ পাহাড়ধসে ১২৭ জনের প্রাণহানির পরও বিভিন্ন সময়ে একই ধরনের দুর্ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসতি স্থাপনের প্রবণতা থামেনি।


প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরের ১৭টি পাহাড়ে অন্তত ৮৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ বসতি চিহ্নিত রয়েছে। তবে বাস্তবে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। লালখান বাজার, খুলশী, পাহাড়তলী, আকবর শাহ, বায়েজিদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। প্রশাসন আবারও পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সংঘাতের উত্তাপের মাঝে সন্তানকে আগলে মায়ের ছুটে চলা, আবেগঘন ছবি ভাইরাল

সংঘাতের উত্তাপের মাঝে সন্তানকে আগলে মায়ের ছুটে চলা, আবেগঘন ছবি ভাইরাল